বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল সোমবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে তিনি গুলশানে চেয়ারপারসনের বাসভবনে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে প্রায় ঘণ্টাখানেক অবস্থান শেষে রাত সাড়ে ৯টায় বেরিয়ে আসেন। দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানান মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
জানা গেছে, সাড়ে তিন মাস কারাবন্দির পর গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মুক্তি পান মির্জা ফখরুল। গত শনিবার বিকেলে মহাসচিব শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে গ্যাসস্ট্রোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শামসুল আরেফিনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপত্র নেন। পরে কিছুটা সুস্থবোধ করায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান।
সূত্রগুলো বলছে, দলের চেয়ারপারসনের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেওয়ার পাশাপাশি মির্জা ফখরুল সমসাময়িক রাজনীতি নিয়েও তার সঙ্গে আলোচনা করেন।
আগামীতে দলের করণীয় কী, সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ নেন।
এদিকে গতকাল দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সোমবার রাজধানীর খামারবাড়িতে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডাররা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে বেপরোয়া ও কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ারকে ব্যাপক মারধর ও কর্মসূচির চেয়ার, টেবিল ভাঙচুর করে এবং ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনগুলো দেশকে জোর যার মুলুক তার বানিয়েছে। তারা বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তারই বহিঃপ্রকাশ গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পেতে সাধারণ মানুষ কোথাও আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছে না। নিজ দেশে পরবাসী হয়ে দিনযাপন করছে।’
ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহ্বান জানিয়ে আহত সাকিব আনোয়ারের আশু সুস্থতা কামনা করেন তিনি।