জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নিবন্ধনযোগ্য (রেজিস্ট্রেশন) জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্যের তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ১৯ মার্চের মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট পাঁচটি মন্ত্রণালয় এবং পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরকে সমন্বয় করে এ তালিকা দিতে বলেছে আদালত।
এ-সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল সোমবার বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়। জিআই পণ্যের সমন্বিত তালিকা তৈরি ও তা প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে গত রবিবার আইনজীবী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এ রিট আবেদনটি করেন। আবেদনের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিকার চাকমা।
রুলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নিবন্ধনযোগ্য প্রাকৃতিক, কৃষিজাত ও কারু জাতীয় জিআই পণ্যের তালিকা, সংরক্ষণ ও নিবন্ধনে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। শিল্প সচিব, বাণিজ্য সচিব, কৃষি সচিব, বস্ত্র ও পাট সচিব, সংস্কৃতি সচিব এবং পেটেন্ট, শিল্প- নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলেছে হাইকোর্ট।
ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের ২১টি পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। ভারতে উৎপাদিত ৫০০ ও জার্মানি পেয়েছে ১৬ হাজারের মতো। সে হিসেবে বৈশি^কভাবে আমরা বেশ পিছিয়ে আছি শুধু উদ্যোগহীনতার কারণে। জিআই পণ্যের বিষয়টি সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে। তাতে মনে হয়েছে, পূর্ণাঙ্গ একটা জিআই তালিকা আমাদের প্রয়োজন। তবে এই পণ্যগুলো শুধু রেজিস্ট্রেশন করলেই হয় না। বিভিন্ন দেশেও এগুলোর জিআই রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন। বিস্তারিত শুনে আদালত রুল ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিয়েছে।’