রাজধানীর উত্তর মুগদা এলাকায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক কলেজ শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন। নিহত পিয়াস ইকবাল নুর (২৩) রাজধানীর কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনা তার বন্ধু শামীম (২৪) গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যদিকে নিহতের পরিবারের করা মামলায় অভিযুক্ত অর্ণবকে গ্রেপ্তার করেছে মুগদা থানা পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তের বরাতে পুলিশ বলছে, মোবাইল বিক্রির সাড়ে ৪ হাজার টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহতের পরিচিত অর্ণবের কাছ থেকে তাদের আরেক বন্ধু মাহির মোবাইল কিনেছিলেন। অর্ণব এই টাকা চাইতে পিয়াসের বাসায় গিয়েছিলেন। কিন্তু টাকা না পেয়ে ফিরে আসেন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের জেরে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ বলছে, সে দিন রাত ১০টার দিকে পিয়াসের পরিচিত এবং কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর বাসার অদূরে লিটল অ্যাঞ্জেল গলিতে তাকে ও তার বন্ধু শামীমকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পিয়াস মারা যান। শামীম হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি রয়েছেন।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি জানান, পিয়াসের মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। আর শামীম জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর। মোবাইল কেনাবেচা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাটি মুগদা থানা পুলিশ তদন্ত করছে।
মুগদা থানার ওসি তারিকুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, নিহত পিয়াস ইকবালের বাবা ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। অভিযুক্ত অর্ণবকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের নাম পেয়েছি। তাদের গ্রেপ্তার করতে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে।