বিএনপির লিফলেট বিতরণ

‘সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে’

বিএনপির গণতন্ত্র উদ্ধারের, বাকস্বাধীনতার, ভোটের অধিকারের অহিংস ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘এই আন্দোলন সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। কিন্তু সার্বিকভাবে কখনো ব্যর্থ হয় নাই। আজ না হয় কাল এই ফ্যাসিস্ট দখলদার সরকারের পতন এই জনতার হাতে ঘটবেই। এদের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

গতকাল শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণ পূর্ব সমাবেশে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

বিএনপি গতকাল সারা দেশেই গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করে।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘জনগণের আন্দোলনের মুখে কোনো ফ্যাসিস্ট সরকার টিকে থাকতে পারে নাই। আজকে সরকার জোর করে জনগণের ভোটের বাইরে ক্ষমতায় টিকে আছে।’

২৮ অক্টোবরে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা আব্বাস। তার দাবি, এ ঘটনা সরকারের পূর্ব পরিকল্পিত।

মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) জাকির হোসেন রোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাদরেজ জামান, ছাত্র দলের রাকিবুল ইসলাম রাকিব, নাসির উদ্দিন নাসির প্রমুখ।

এর আগে সকালে বেইলি রোড সড়কে লিফলেট বিতরণকালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এই সরকার বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম কেন বাড়িয়েছে? কারণ, তাদের স্বজনদের কুইক রেন্টাল দিয়েছে। কুইক রেন্টালে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটপাট করে তারা বিশ্বে এক নম্বর, দুই নম্বর, তিন নম্বর ধনী হওয়ার খেতাব পেয়েছে। বিশ্বের কোথাও এসবের দাম বাড়ছে না।’

এ সময় দলের নেতা ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, মাহমুদুর রহমান সুমন, আকরামুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া সকালে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির উদ্যোগে ইস্টার্ন হাউজিং ও মিরপুর ১১ নম্বর কাঁচা বাজার এলাকায় গণসংযোগ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ রূপনগর, পল্লবী, মিরপুর এলাকার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।