ব্লাড সুগার বাড়ায় যে খাবার

ব্লাড সুগার ভয়াবহ অসুখ। অবশ্য এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগের অবস্থা হলো প্রি-ডায়াবেটিস। এই স্তরে থাকা মানুষের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে খুব বেশি। তাই প্রি-ডায়াবেটিস রোগীর কয়েকটি খাবার খাওয়া একবারেই উচিত না।

মিষ্টি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার : প্রি-ডায়াবেটিস রোগীর মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। এ ধরনের খাবারে রয়েছে অনেক সুগার। এ কারণে শরীরে দ্রুত সমস্যা তৈরি হয়। শুধু মিষ্টি নয়, এর পাশাপাশি ডোনাট জাতীয় খাবারও পুরোপুরি বাদ দিতে হবে।

জাঙ্ক ফুড : জাঙ্ক ফুডে অনেক বেশি পরিমাণে ক্যালরি  থাকে। যা শরীরের সমস্যা তৈরি করে। তাই জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। এ ধরনের খাবারে গ্লাইসমিক ইনডেক্স বেশি। ফলে এর থেকে চট করে রক্তে সুগার বেড়ে যায়। তাই এই খাবার বাদ দিতে হবে, তবেই ভালো থাকতে পারবেন।

কোমল পানীয় : কোমল পানীয় শীতকালে কম পান করেন। আর গ্রীষ্মে খুব বেশি পান করেন। মাথায় রাখতে হবে যে, কোল্ড ড্রিংকস শরীরে নানা সমস্যা তৈরি করে। এই পানীয়ে মেশানো থাকে অ্যাডেড সুগার। এবার সেই মিষ্টি স্বাদ খেতে ভালো লাগলেও শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। তাই এই পানীয় থেকে আপনাকে দূরে থাকতে হবে। এর পরিবর্তে সাধারণ পানি পান করুন। পরিমিত পানি পান রোগব্যাধি দূরে রাখে।

কিছু ফল বাদ দিন : ফল খাওয়া ভালো। ফলে থাকে ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তবে কিছু ফল কিন্তু ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিসের জন্য খুবই খারাপ। সে ক্ষেত্রে শরীরে সমস্যা তৈরি হয়। মিষ্টিজাতীয় ফল দেহে সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। মিষ্টি ফলের তালিকায় রয়েছে কলা, আম, কাঁঠাল, সবেদা, বেল ইত্যাদি। তাই এ ধরনের খাবার থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে। এই ফলগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স হাই।

হেলথ ড্রিংকস :  হেলথ ড্রিংকস পান এমনিতেই ভালো। তবে সাধারণ হেলথ ড্রিংকসে সুগার মেশানো থাকে। তাই এই পানীয় না পান করাই ভালো।  বরং হেলথ ড্রিংকস পান করতে চাইলে চিকিৎসক, পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে ডায়াবেটিসের হেলথ ড্রিংকস পান করুন।