জবরদখল গর্হিত অপরাধ

জেনে রাখা ভালো : জায়গা-জমির বিরোধ সর্বত্রই রয়েছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে সমাজে নানা ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। কোনো কোনো জায়গায় হতাহতের মতো ঘটনাও ঘটে। জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে মারামারি-হানাহানির ঘটনায় আদালতে মামলা-মোকদ্দমার সংখ্যাও কম নয়। অন্যায়ভাবে কারও অর্থ-সম্পদ দখল বা ভোগ করা গর্হিত অপরাধ। এতে অনেক সময় মানুষ তার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব ও কপর্দকশূন্য হয়ে পড়ে। ফলে সে মানবেতর জীবনযাপন করে। অন্যদিকে জবরদখলকারীরা সমাজে বুক ফুলিয়ে চলে। এটা যে অন্যায় ও হারাম সেটার কোনো তোয়াক্কাই করে না। অথচ মহান আল্লাহ এসব কাজ নিষেধ করেছেন।

কোরআন থেকে : ‘তোমরা নিজেদের মধ্যে একে অন্যের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস  কোরো না এবং মানুষের ধন-সম্পদের কিয়দংশ জেনে-শুনে অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উদ্দেশে তা বিচারকের কাছে পেশ কোরো না।’ -সুরা বাকারা, আয়াত ১৮৮

হাদিস থেকে : হজরত সাইদ বিন জায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত। হজরত রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি কারও এক বিঘত জমি জোরপূর্বক অন্যায়ভাবে দখল করবে কিয়ামতের দিন সাত স্তবক (দখলকৃত জমির সাত গুণ) জমি তার গলায় বেড়িরূপে পরিয়ে দেওয়া হবে।’ -সহিহ  মুসলিম ২২৯১

করব : অন্যের হক আদায়।

ছাড়ব : পরের জমিনের সীমানা পরিবর্তন বা জবর দখল করা।

মাসআলা : যদি গোসল অথবা বৃষ্টিতে ভেজার সময় কানের মধ্যে অনিচ্ছায় পানি চলে যায় তাহলে সর্বসম্মতিক্রমে রোজা নষ্ট হবে না। -ফাতহুল কাদির ২/৩৪৭

ভুল ধারণা : দাঁত ব্রাশ করলে রোজা ভেঙে যায়, এটা ভুল ধারণা। অনেক মানুষ মনে করেন পেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে রোজা ভেঙে যায়। আসলে ব্যাপারটা তেমন নয়।

আমল : অন্যের হক আদায়ের প্রতি সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল হওয়ার চেষ্টা করা। কেননা অন্যের হক নষ্ট করলে আখেরাতে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

সুসংবাদ : এই মাস মুমিনের অতীতের গুনাহসমূহকে মুছে দেয়। হজরত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে এবং সওয়াব অর্জনের নিয়তে রমজানের সিয়াম পালন করবে তার পূর্ববর্তী সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।

উপকারিতা : রোজা রাখার ফলে লিপিড প্রোফাইলে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। ফলে উচ্চ মাত্রায় কোলেস্টেরলে ভুগছেন এমন রোগীদের রক্তে কোলেস্টেরল দ্রুত কমতে শুরু করে।

দোয়া : ঋণমুক্তির দোয়া, ‘আল্লাহুম্মাকফিনি বি হালালিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।’ অর্থাৎ হে আল্লাহ! হারামের পরিবর্তে তোমার হালাল রুজি আমার জন্য যথেষ্ট করো। আর তোমাকে ছাড়া আমাকে কারও মুখাপেক্ষী করো না এবং স্বীয় অনুগ্রহ দিয়ে আমাকে সচ্ছলতা দান করো।