চট্টগ্রামে বাঁশখালীতে পুকুরিয়া চন্দ্রপুর পাহাড়ের সরকারি খাস জায়গার কয়েকশত গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে পুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আসহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) পুকুরিয়া পাহাড়ি এলাকার গাছ কাটার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে পুকুরিয়া বন কর্মকর্তারা বিষয়টি জেনে গাছগুলো উদ্ধার করেন।
তবে চেয়ারম্যানের দাবি তিনি জায়গাটি লিজ নিয়ে গাছ লাগিয়েছিলেন। এখন অনুমতি সাপেক্ষে গাছ কেটেছেন। তবে বন কর্মকর্তাদের কাছে তিনি গাছ কাটার অনুমতিপত্র দেখাতে পারেনি । এদিকে জায়গাটি চা বাগানের বলে অভিযোগ অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, আগামীকাল জায়গাটি চা বাগানের কিনা এজন্য চা বাগান কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল সার্ভেয়ার দিয়ে পরিমাপ করা হবে। আসলে ১২ একর সরকারি জায়গাটি কার এ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরী হয়েছে। তবে বাঁশখালীর পুকুরিয়া ও সাধনপুর এলাকার অধিকাংশ পাহাড়ি এলাকা পুকুরিয়া বেলগাঁও চা বাগানের নামে সরকারি ভাবে দীর্ঘ মেয়াদী লিজ দেয়া। কিন্তু আধিপত্য দেখিয়ে অনেকে সেগুলো বেদখল করে রেখেছে ।
পুকুরিয়া বন বিট কর্মকর্তা আশরাফ চৌধুরী বলেন, গাছ কাটার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। গাছগুলো জব্দ করে পরিষদের এক সদস্যের কাছে রাখা হয়েছে।
বাঁশখালী বনবিভাগের কালীপুর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন বলেন, যে স্থান থেকে গাছ কাটা হয়েছে সেটি সরকারি খাস জায়গা । অনুমতি ছাড়া গাছ কাটায় মামলা করা হবে।
বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, পুকুরিয়ার পাহাড়ি এলাকার গাছ কাটার বিষয়ে কোন ধরণের অনুমতি নেই। বেআইনি ভাবে গাছ কেটে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।