আকাশছোঁয়া স্বপ্নের এপিক ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম

মানুষ স্বপ্ন দেখে আর আমরা এপিক পরিবার সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপ দৃশ্যমান করি। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী ও জনবহুল চট্টগ্রাম শহরের যান্ত্রিক জীবনযাপন থেকে স্বল্প দূরে পার্সিভ্যাল হিলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার একমাত্র আধুনিক প্রকল্প এপিক ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম।

এই শহরেরই  খুব পরিচিত একটি স্থান পার্সিভ্যাল হিল। চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জনপ্রিয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে এখানে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সমুদ্রের ঢেউ ছুঁয়ে আসা দক্ষিণা বাতাসে সবসময় শীতল ছোঁয়া পাওয়া যায় ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম এই স্বপ্নিল আবাসনে।

চিরসবুজ ছায়াকে আলিঙ্গন করে এপিক ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম নির্মাণ করা হয়েছে। এর দুটি ভবনের সৌন্দর্যের অপারগতা বিবেচনা করে ৬০ কাঠার ওপর দুটি টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। যা চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে অধিক উচ্চতার টাওয়ার বলে দাবি করছেন। কীভাবে নাগরিক জীবনকে আধুনিকভাবে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সুবিধা দেওয়া যায় সেই দিকে বিবেচনা করেছে। নাগরিক জীবনে মৌলিক চাহিদার বিশেষ বিশেষ উপাদানের পূর্ণস্থল এই এপিক ভূঁইয়া ইম্পেরিয়াম। ৬০ কাঠার ওপর নির্মিত এই দুটি টাওয়ারে থাকছে নিত্যপণ্যের চাহিদা পূরণে সুপার শপ, সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য কমিউনিটি সেন্টার, উৎসব আনন্দে মেতে উঠতে রয়েছে বার্বিকিউ জোন, সুস্বাস্থ্য রক্ষায় আধুনিক জিম, দোতালা বিশিষ্ট নান্দনিক ও শৈল্পিক অলংকরণে নির্মিত মসজিদ, মানসিক প্রশান্তির জন্য ইয়োগা জোন, অবসর কাটানোর জন্য আড্ডা জোন, বাচ্চাদের মানসিক ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কিডস প্লে জোন, নির্মল ও প্রশান্তির জীবন উপভোগ করতে গ্রিন ওয়াকওয়েসহ অনেক আধুনিক লাইফস্টাইলের সুযোগ-সুবিধা। নিরাপত্তার দিক থেকে থাকছে নির্ধারিত গার্ড পোস্ট ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ। দুটি টাওয়ারের মোট অ্যাপার্টমেন্ট ১০৮টি। গ্রাউন্ড থেকে শুরু করে তিন তালা অবধি সুবিশাল পার্কিং ব্যবস্থা আছে এখানে।