চট্টগ্রাম নগরের সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের সামনে ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার দুপুরে সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ শাখা ও চকবাজার থানা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
আহতদের মধ্যে মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের ১০ জন ও চকবাজার থানা ছাত্রলীগের ৩ জন নেতাকর্মী রয়েছেন। আহত কয়েকজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের আহত নেতাকর্মীরা হলেন আহ্বায়ক কাজী নাঈম, মফিজুর রহমান (বিএসএস ফাইনাল), আরমান হোসাইন (বিবিএস তৃতীয় বর্ষ), মোহাম্মদ তাকিব (বিবিএস চতুর্থ বর্ষ), আরবিন আরমান (দ্বিতীয় বর্ষ), সাইদুল (বিএসএস তৃতীয় বর্ষ), নাফিস (বিবিএস দ্বিতীয় বর্ষ), শিহাব (বিএসএস দ্বিতীয় বর্ষ), রিমন ও অন্তর (এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষ)।
চকবাজার থানা ছাত্রলীগের আহত নেতাকর্মীরা হলেন সভাপতি জাহেদুল ইসলাম, ইমরান খান ইমন ও আশিকুল ইসলাম রবিন।
মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী নাঈম সাংবাদিকদের বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পদযাত্রা নিয়ে বের হয়ে পুনরায় কলেজের প্রধান ফটকে জড়ো হই। এ সময় হঠাৎ চকবাজার থানা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহেদের নেতৃত্বে এলাকার লোকজন লাঠি-হকিস্টিক দিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। এতে আমিসহ ১০ নেতাকর্মী আহত হই। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে পালিয়ে যায় তারা।’
চকবাজার থানা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কেন্দ্রঘোষিত প্রোগ্রামে অংশ নিতে টেম্পো ভাড়া করে আমরা সিআরবিতে যাচ্ছিলাম। এ সময় মহসিন কলেজের মাঠের পাশে তারাও টেম্পো ভাড়া করতে আসেন। তাদের বলেছি এ টেম্পো আমরা ভাড়া করেছি। তোমরা অন্য একটি ভাড়া করো। কিন্তু তাদের কথা হচ্ছে এই টেম্পো তারা নিয়ে যাবে। এ সময় ছাত্রলীগের নাঈম ও মিজানের নেতৃত্বে আমাদের ছেলেদের ওপর হামলা করা হয়। এতে আমাদের দুই কর্মীর মাথা ফেটে গেছে। তারা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি আছে। আমি নিজেও আহত হয়েছি।’
চকবাজার থানার ওসি ওয়ালী উদ্দিন আকবর বলেন, ‘সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ফটকের সামনে দুপক্ষের মধ্যে সামান্য হাতাহাতি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে সরিয়ে দিয়েছে।’