হজ আর্থিক ও শারীরিক ইবাদত। ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভের অন্যতম হজ। আরবি হজ শব্দের অর্থ সংকল্প করা বা ইচ্ছা করা। পরিভাষায় হজের নিয়তসহ ইহরাম ধারণ করে নির্দিষ্ট দিনে আরাফার ময়দানে অবস্থান করা এবং কাবা শরিফ তাওয়াফ করাকে হজ বলে। (ফাতাওয়া শামি)
আরবি ওমরাহ শব্দের অর্থ পরিদর্শন করা। ওমরাহর নিয়তে ইহরাম ধারণ করে তাওয়াফ ও সায়ি করে মাথার চুল মুণ্ডন করে ইহরামমুক্ত হওয়াকে ওমরাহ বলে। (ফাতহুল বারি)
হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করে এবং অশ্লীল ও গুনাহর কাজ থেকে বেঁচে থাকে, সে নবজাতক শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়। আর মকবুল হজের পুরস্কার জান্নাত ছাড়া অন্য কিছুই নয়।’
আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা হজ ও ওমরাহ সঙ্গে সঙ্গে করো। কেননা এ দুটি দারিদ্র্য ও গুনাহ এভাবে দূর করে, যেভাবে হাঁপর লোহা ও সোনা-রুপার ময়লা দূর করে। আর কবুল হজের বিনিময় জান্নাত।’ (ইবনে মাজাহ )
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘এক ওমরাহ আরেক ওমরাহ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহের ক্ষতিপূরণ হয়ে যায়। আর মাবরুর হজের প্রতিদান তো জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়।’ (সহিহ বুখারি ) আর্থিকভাবে সামর্থবান লোকদের ওপর জীবনে কমপক্ষে একবার হজ ফরজ হয়। আর ইবাদত হিসেবে হজের গুরুত্ব অনেক। তাই কারও ওপর হজ ফরজ হলে বিলম্ব না করে দ্রুত পালন করা বাঞ্ছনীয়।