আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২ জুন থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ফিরতি ঈদযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১০ জুন থেকে। আগের মতো এবারও সব টিকিট অনলাইনে হবে। গতকাল মঙ্গলবার রেলভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২ জুন বিক্রি হবে ১২ জুনের অগ্রিম টিকিট। একইভাবে ৩ জুন দেওয়া হবে ১৩ জুনের, ৪ জুন দেওয়া হবে ১৪ জুনের, ৫ জুন দেওয়া হবে ১৫ জুনের এবং ৬ জুন দেওয়া হবে ১৬ জুনের অগ্রিম টিকিট। অন্যদিকে ফিরতি টিকিট বিক্রি হবে ১০ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত। এ সময় ধারাবাহিকভাবে ২০ থেকে ২৪ জুনের ফিরতি অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে। ২০ জুনের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে ১০ জুন, ২১ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১১ জুন, ২২ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১২ জুন, ২৩ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১৩ জুন এবং ২৪ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১৪ জুন।
রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম বলেন, ‘আসন্ন ঈদে বিনা বিড়ম্বনায় যাত্রীদের বাড়ি যাওয়া এবং কমস্থলে ফেরা নিশ্চিত করতে আমরা শুরু থেকেই সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। টিকিটের কালোবাজারি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি আমরা। টিকিট কালোবাজারি পুরোপুরি বন্ধ করতেও আমরা কাজ করছি। গতবার কিছু ট্রেনে যাত্রীদের শেষ গন্তব্য পর্যন্ত টিকিট কাটতে বাধ্য করা হয়েছিল। এবার এটি বন্ধ করা হবে।’
তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে এবার দেশের বিভিন্ন রুটে ২০টি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। সবমিলে ৩৬৬টি ট্রেন চলাচল করবে। এবার পশু পরিবহনে পশ্চিমাঞ্চলে ১২-১৪ জুন পর্যন্ত চলবে কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য ‘ক্যাটল এক্সপ্রেস’। আর পূর্বাঞ্চলে ‘ক্যাটল এক্সপ্রেস’ চলবে ১২ ও ১৩ জুন।
রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী বলেন, এবার ঢাকা থেকে বহিঃগামী ট্রেনের আসনসংখ্যা হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি, যা শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হবে। অনলাইনের বাইরে ২৫ শতাংশ আসনবিহীন টিকিট যাত্রার দিন বিক্রি করা হবে কাউন্টার থেকে। ঈদে পশ্চিমাঞ্চলে চলাচল করা সব আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট সকাল ৮টা থেকে আর পূর্বাঞ্চলে চলাচল করা ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে বেলা ২টা থেকে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) মো. আরিফুজ্জামান, (রোলিং স্টক) পার্থ সরকার, (অপারেশন) এএম সালাহ উদ্দীন প্রমুখ।