দ্রুত ওজন কমানোর উপায়

সুস্থ থাকতে ওজন কমানো জরুরি। ওজনকে বশে রাখতে ২-২-২ মেথড খুব কার্যকর। ওজন বেশি থাকলে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, ব্লাড প্রেশার থেকে শুরু করে একাধিক জটিল অসুখ। তাই ওজন কমাতে যা করবেন

২-২-২ মেথড কী?

এই মেথডের মূলমন্ত্র হলো দিনে ২টি গোটা ফল, ২ লিটার জল এবং ২ বার হাঁটা। ব্যস, এই সামান্য কাজগুলো করলেই উপকার পাবেন। এ ক্ষেত্রে ফলের মাধ্যমে শরীরে ভিটামিন, খনিজের ঘাটতি মিটিয়ে ফেলা যায়। এমনকি এতে উপস্থিত ফাইবারের গুণে পেট থাকে ভর্তি। যেই কারণে খিদে পায় না। ফলে ওজন কমে যায়। অপরদিকে ২ লিটার বা তার বেশি পরিমাণে পানি পান করলে বাড়ে বিপাকের হার। সেই কারণেও ওজনের কাঁটা হয় নিম্নমুখী। অন্যদিকে ২ দিনে দুবার হাঁটলে অতিরিক্ত ক্যালরি খরচ করে ফেলা যায়। ফলে টুক করে কমে যায় ওজন। তাই আজ থেকে এই পদ্ধতি মেনে ওজন কমানোর কাজে লেগে পড়ুন।

উপকার পাবেন

শুধু ওজন কমানোই নয়, ২-২-২ মেথড মেনে চললে আরও উপকার মিলবে। এই পদ্ধতি মেনে চললে সুগার, প্রেশার, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যার ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমবে। এমনকি দিনে দুবার হাঁটার কারণে বৃদ্ধি পাবে ফুসফুস এবং হার্টের জোর। তাই আর সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই ২-২-২ মেথড মেনে চলার চেষ্টা করুন।

মনিটরিং করা চাই

ওজনকে বশে রাখতে চাইলে এই পদ্ধতি মেনে চলার পাশাপাশি আপনাকে নিয়মিত ওজন মাপতে হবে। তাহলেই নিজের অগ্রগতি সম্পর্কে একটা ধারণা করতে পারবেন। ওজন মাপার অন্তত ১৫ দিন বাদে আবার ওয়েট মেশিনে দাঁড়ান। পার্তক্য বুঝতে পারবেন।

রোজ করুন ব্যায়াম

দিনে ২ বার হাঁটার পাশাপাশি জিমে গিয়ে ঘাম ঝরান। তাতেই দেখবেন মেদ গলে যাবে। তার বদলে বাড়বে পেশির জোর। তবে যারা জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে চাইছেন না, তারা চেষ্টা করুন রোজ বাড়িতেই ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করার। এ ক্ষেত্রে স্কোয়াট, প্ল্যাংক, পুশআপ, জাম্পিং জ্যাক ইত্যাদি ব্যায়ামগুলো ওজন কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

খাওয়াদাওয়া ছাড়বেন না

অনেকেই ওজন কমানোর লক্ষ্য নিয়ে খাওয়াদাওয়া একবারে বন্ধ করে দেন। আর এই ভুলটা করেন বলেই তাদের শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই ভুলেও খাওয়া বন্ধ করবেন না। তার বদলে খাবার তালিকায় রাখুন পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্ব, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন-খনিজ সমৃদ্ধ খাবার।