আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা কমলা হ্যারিসের

ফরমে সই করার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ফরমে সই করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদের জন্য আমার প্রার্থিতা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছি। প্রতিটি ভোট আদায়ে কঠোর পরিশ্রম করব এবং নভেম্বরে জনগণের ভোটে আমরা জয়ের মুখ দেখব।

আগামী ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে দেখা যাবে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর গত শুক্রবার কমলা হ্যারিসকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ওবামা বলেন, তিনি ও সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলা হ্যারিসের জয় নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সবকিছু করবেন।

ওবামা বলেন, এই সপ্তাহের শুরুতে আমি আর মিশেল আমাদের বন্ধু কমলা হ্যারিসকে ফোন করেছিলাম। আমরা তাকে বলেছি, ‘আমরা মনে করি, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একজন চমৎকার প্রেসিডেন্ট হবেন এবং তার প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। আমাদের দেশের এই জটিল মুহূর্তে, নভেম্বরের নির্বাচনে তার জয় নিশ্চিত করতে আমরা সম্ভাব্য সবকিছু করব। আমরা আশা করি, আপনারা আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন।’

এর আগে গত বুধবার প্রেসিডেন্ট পদের জন্য কমলা হ্যারিসকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেন অভিনেতা ও ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিল সংগ্রহকারী জর্জ ক্লুনি।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ওভাল অফিস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে কমলা হ্যারিসকে মহান ভাইস প্রেসিডেন্ট বলে বর্ণনা করেন। বাইডেন বলেন, তিনি অভিজ্ঞ। তিনি কষ্টসহিষ্ণু এবং সক্ষম। তিনি আমার অসাধারণ সহযোগী এবং আমাদের দেশের একজন নেতা। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের, আমেরিকান জনগণের হাতে।

হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জিন পিয়েরে জোর দিয়ে বলেছেন, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের চেয়ে যোগ্য আর কেউ নেই।

কমলাই যে আপাতত ডেমোক্রেটিক পার্টির সেরা প্রার্থী তা দেখা গেছে বিভিন্ন জরিপেও। কমলা হ্যারিস অল্প দিনেই জনসমর্থনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছাকাছি চলে এসেছেন। গত বৃহস্পতিবার অন্তত দুটো জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৫ নভেম্বরের নির্বাচনের ফল নির্ধারণী ব্যাটেলগ্রাউন্ড রাজ্যগুলোতে ট্রাম্পের সঙ্গে হ্যারিসের ব্যবধান কমে এসেছে।