কোটা সংস্কার আন্দোলন কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীসহ দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনাকে ‘জুলাই হত্যাকাণ্ড’ নামে ডাকার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক। ‘নতুন ইতিহাস লেখার পথ তৈরি করেছে এ শিক্ষার্থীরা’ উল্লেখ করে গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধসহ আটক শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতিপক্ষ ভাবা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর
থেকে গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রে যে লাগাতার নৈরাজ্য চলেছে, হলগুলোয় যে সুপরিকল্পিত নিপীড়ন চলেছে, ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের সেই সবকিছু পাল্টে নতুন ইতিহাস লেখার পথ তৈরি করেছেন।
শিক্ষার্থীদের প্রতিটি দাবির প্রতি তারা সমর্থন জানান।
জাবি : বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনের সড়ক থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সড়ক ঘুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে তারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরাও অংশ নেন।
রাবি : মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় সেখানে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক কর্মসূচিতে অংশ নেন।