ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও সব হল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ভার্চুয়ালি এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খোলা এবং হলে বৈধ শিক্ষার্থীদের ওঠানো ও হলগুলোর সেবা কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষাসহ অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালু করা হবে।
এর আগে, সকালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে জরুরি সিন্ডিকেট শুরু করেন উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল।
এদিকে, ঢাবি খোলার পর আবাসিক হল ও হোস্টেলগুলোয় শিক্ষার্থী ওঠানোর বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ঢাবির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনায় বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ও হোস্টেলে ওঠানো হবে।
মেয়াদোত্তীর্ণ অথবা নানা কারণে ছাত্রত্ব নেই মাস্টার্স চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষ করেছেন অথবা স্নাতক সম্মান পাস করেছেন কিন্তু নিয়মিত ব্যাচের সঙ্গে মাস্টার্সে ভর্তি হননি এমন শিক্ষার্থী হলে বা হোস্টেলে উঠতে পারবেন না। এই শিক্ষার্থীদের জিনিসপত্র যদি হলে বা হোস্টেলে থাকেন, তাহলে হল বা হোস্টেলের সব পাওনা পরিশোধ করে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষিত নির্ধারিত তারিখের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। তা না হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের কক্ষ থেকে জিনিসপত্র সরিয়ে নেবে। এসব জিনিসের দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নেবে না।