আঙিনায় নিহত শিশুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ নিয়ে রুল

কোটা সংস্কার আন্দোলনে সৃষ্ট সহিংসতার সময় নিজ বাসাবাড়ির আঙিনা ও বারান্দায় গুলিতে নিহত শিশুদের পরিবারগুলোকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে গুলিতে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করতে আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

এ-সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেয়। গত বুধবার এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তৈমূর আলম খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনিক আর হক ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেদোয়ান আহমেদ রানজীব।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে গত ৩১ জুলাই অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার এ রিট আবেদনটি করেন। এতে আহাদ, রিয়া, সামির, হোসাইন, মোবারক, তাহমিদ, ইফাত, নাঈমাসহ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত শিশুদের প্রত্যেকের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চাওয়া হয় আবেদনে। আবেদনের যুক্তিতে আইনজীবী বলেছিলেন, ‘যে শিশুরা বাড়ির আঙিনায় ঘোরাফেরা করছিল, তারা কেন গুলিতে মারা যাবে? কাদের কারণে কাদের গুলিতে এই মৃত্যুগুলো হলো, তার জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রয়োজন। এজন্যই তিন সদস্যের একটা বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন ও নিহত প্রতিটি শিশুর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য আবেদনটি করেছি।’

গতকাল অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে হাইকোর্ট।