আজকাল অনেক মহিলাই ভিটামিন ডি-এর ঘাটতিতে ভোগেন। সেই কারণে তাদের হাড়ের ক্ষয় শুরু হয়ে যায়। তারপর ধীরে ধীরে পিছু নেয় একাধিক রোগ। তাই বিপদ বাড়ার আগেই শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে নিন ৩০ ঊর্ধ্ব মহিলারা। নারীদের বয়স ৪০ পেরুনোর পরই হাড়ের ক্ষয়জনিত সমস্যা পিছু নেয়। অনেক কম বয়সেই মহিলাদের হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। যার ফলে পিছু নেয় অস্টিওপোরোসিসের মতো জটিল অসুখ। এই সমস্যা সমাধান করতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। গরুর দুধে আছে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। আর এই দুই উপাদান হাড়ের শক্তি বাড়ায়। মাশরুম পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ খাবার। এতে রয়েছে একাধিক জরুরি ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যে কারণে এই খাবার খেলে দূরে থাকে জটিল অসুখ। শুধু তাই নয়, এতে বেশ কিছুটা পরিমাণে ভিটামিন ডি-ও রয়েছে। যার ফলে মাশরুম খেলে বাড়ে হাড়ের শক্তি। তাই রোজকার ডায়েটে অবশ্যই মাশরুমকে জায়গা করে দিতে পারেন।
কম দামে সেরার সেরা খাবার হলো ডিম। এতে রয়েছে উৎকৃষ্টমানের প্রোটিন। সেই সঙ্গে ডিমের কুসুম হলো ভিটামিন ডি-এর ভা-ার। এ ক্ষেত্রে একটা ডিমের কুসুম থেকে মোটামুটি ৩৭ আইইউ ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। এ ছাড়া একাধিক ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে ডিমে। তাই ৩০ ঊর্ধ্ব মহিলারা নিয়মিত ডিম খান। মাছে বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে ভিটামিন ডি রয়েছে। এর পাশাপাশি এই প্রাণিজ খাবার হলো প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের ভা-ার। যে কারণে মাছ খেলে বাড়ে হাড়ের জোর। তাই আপনার রোজের ডায়েটে অবশ্যই মাছ রাখতে পারেন।
তবে বেশি উপকার পেতে স্যালমন, সার্ডিন, হেরিংয়ের মতো বিদেশি মাছ নিয়মিত সেবন করুন। তাতেই শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি অনেকটাই মিটিয়ে ফেলতে পারবেন। শুধু খাবার খেয়ে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি মেটাতে পারবেন না। বরং প্রতিদিন নিয়ম করে সূর্যের আলো গায়ে লাগাতে হবে। তাতেই শরীরে তৈরি হবে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি। সেই সুবাদে আপনার হাড়ের জোর বাড়বে। এ ছাড়া ৩০ পেরুলে প্রত্যেক বছরে অন্তত একবার ভিটামিন ডি টেস্ট করুন। এই টেস্টের মাধ্যমেই শরীরে ভিটামিন ডি-এর লেভেল সম্পর্কে জানতে পারবেন। সে অনুযায়ী খাবার খেতে পারবেন।