বিসিবিতে ‘সরকারি হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ: ব্যাখ্যা দিল এনএসসি

নাজমুল হাসান পাপন যুগ শেষে বদলে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নতুন বিসিবি সভাপতি হয়েছেন ফারুক আহমেদ। বোর্ড পরিচালক হিসেবে আরও এসেছেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম। এই দুজনকেই মনোনয়ন দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। কিন্তু এই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সদ্য সাবেক হওয়া বোর্ড পরিচালক সাজ্জাদুল আলম ববি। তিনি বিসিবিতে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছেন।

বিসিবিতে এনএসসি মনোনীত দুই পরিচালক ছিলেন জালাল ইউনুস ও সাজ্জাদুল আলম। গত ১৯ আগস্ট সকালে দুজনকেই ফোন করে বিসিবি থেকে পদত্যাগের ‘অনুরোধ’ করেন এনএসসির সচিব আমিনুল ইসলাম। জালাল ইউনুস সেদিনই তাঁর পদত্যাগপত্র ই–মেইল করে দিলেও সাজ্জাদুল আলম করেননি। তাঁর বক্তব্য ছিল, যেহেতু এনএসসি তাঁকে মনোনীত করেছে, তাই সিদ্ধান্ত তারাই নিক।

এরপর বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় আহমেদ সাজ্জাদুল আলমকে। কিন্তু এনএসসির এই প্রক্রিয়া নিয়ে গণমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন সাজ্জাদুল আলম। এ ব্যাপারে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর ব্যাখ্যা চেয়ে তিনি ইমেইলও করেছেন। তিনি এ সিদ্ধান্তকে ক্রিকেট বোর্ডের কাজে সরকারি হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন। অবশেষে আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এর ব্যখ্যা দিল এনএসসি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গঠনতন্ত্রের ৯.৩.২ নং অনুচ্ছেদ মোতাবেক কাউন্সিলর ক্যাটাগরিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক ইতোপূর্বে মনোনিত ০৫ (পাচ) জন প্রতিনিধির মধ্যে জনাব মোহাম্মদ জালাল ইউনুস ১৯ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগ করলে উক্ত ০১ (এক) টি শূন্য পদে জনাব নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক মনোনয়ন দেওয়া হয়।’

‘অপরদিকে গঠনতন্ত্রের ১৩.২ (খ) ৪ নং অনুচ্ছেদ মোতাবেক পরিচালক ক্যাটাগরিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক ইতোপূর্বের মনোনয়ন পরিবর্তন করে জনাব ফারুক আহমেদ এবং জনাব নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে মনোনয়ন দেওয়া হয় যা সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে। এরূপ মনোনয়ন Philosophy of Jurisprudence এর ভিত্তিতে প্রচলিত বিধি-বিধানের সর্বোচ্চ সতর্ক প্রয়োগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডসহ সকল ফেডারেশন/অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রম সুষ্ঠু, সচল, সক্রিয় ও নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার বদ্ধ পরিকর। দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নেওয়ার অগ্রযাত্রায় সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।’