দেশের শীর্ষ লিগে দলই পেলেন না অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া!

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৪, ০৫:০৮ পিএম

জাতীয় দলের বিদেশি কোচদের ভীষণ প্রিয় জামাল ভুঁইয়া। যতটা না পরফরম্যান্স দিয়ে, তার চেয়ে স্মার্টনেস, সাবলীল ইংরেজী বলা আর চতুরতা দিয়ে বিদেশিদের ভজিয়ে ফেলেন এই মিডফিল্ডার। তাই তো জেমি ডে থেকে শুরু করে হালের হাভিয়ের কাবরেরা তার বাহুতে বেঁধে দেন আর্ম ব্যান্ড। আর অধিনায়ক হওয়ার সুবাদে একাদশেও বহু বছর ছিলেন নিয়িমিত। তবে কিছুদিন ধরে এই নিয়মে কিছুটা ছেদ পড়েছে।

আসলে পুরো ৯০ মিনিট একতালে খেলার সক্ষমতা কমে গেছে ডেনমার্কের জল-হাওয়ার বেড়ে ওঠা জামাল ভুঁইয়ার। তাই গড়ে খেলার সুযোগ মেলে ৬০ থেকে ৭০ মিনিট। যতক্ষণ মাঠে থাকেন, এখন আর আলাদা করে খুব বেশি চেনাতে পারেন না নিজেকে। তারপরও এখনো জাতীয় দলে জামাল অটোমেটিক চয়েজ। তবে ঘরোয়া ফুটবলে হুট করেই প্রয়োজনীয়তা কমে গেছে জামালের। বৃহস্পতিবার শেষ হলো প্রথম ধাপের দলবদল। তবে ১০ দলের কেউই তাকে সাইন করায়নি। জাতীয় দলের অধিনায়ক তাতে হারালেন ঘরের মাঠে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ। 

গত মৌসুমের শুরু দিকে আর্জেন্টিনা তৃতীয় বিভাগের ক্লাব সোল ডি মায়োতে সাইন করে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন জামাল। এর আগে খেলেছেন ভারতের আই লিগে কলকাতা মোহামেডানে। তবে কোনো জায়গাতেই খুব বেশি সুবিধে করতে পারেননি। বিশেষ করে আলোড়ন তুলে সোল ডি মায়োতে যাওয়া জামালের বিদায়টা সুখকর হয়নি। বেতনও ছিল পাওনা। ফিফায় বিচার দিয়ে অবশ্য বেশ ভালো অঙ্কের জরিমানা আদায় করেছেন। আর্জেন্টিনার সংক্ষিপ্ত সফর শেষে দেশে ফিরে গত মৌসুমে মধ্যবর্তী দলবদলে ঢাকা আবাহনীতে যোগ দিয়েছিলেন জামাল।  তবে খুব বেশি খেলার সুযোগ মেলেনি।

পড়তি পারফরম্যান্সের পাশাপাশি অতি মাত্রায় কথা বলা, বড় অঙ্কের চুক্তির দাবি করাই কাল হয়েছে জামালের। দেশের সরকার পরিবর্তনের পর পর এমনিতেই ক্লাবগুলোর চলছে দুরাবস্থা। এখন আর তারা বড় তারকায় না যাওয়ার পাশাপাশি আনফিট জামালকে নিতে চায়নি। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে শোনা যাচ্ছিল, জামালের নতুন ঠিকানা চট্টগ্রাম আবাহনী। একেবারে অন্তিম মুহূর্তে দলবদলে অংশ নেওয়া চটগ্রাম আবাহনীও তাকে নেয়নি। এখন দেখার, জাতীয় দলে তিনি আগের মত অটোমেটিক চয়েজ হিসেবে থাকেন কিনা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত