বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয় গত ৫ আগস্ট। এই আন্দোলন শুরুর পর জুলাই ও আগস্টে সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থকদের হত্যা, কার্যালয় ও বাড়িঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, সরকারি স্থাপনা ও থানায় হামলার ভিডিও, ছবি ও সংবাদের লিংক কিংবা ফেসবুক-ইউটিউবের প্রতিবেদনসহ সব তথ্য ই-মেইলে সংগ্রহ করছে দলটি। গতকাল শুক্রবার ফেসবুকে আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড পেজে পোস্ট দিয়ে এসব তথ্য পাঠানোর জন্য দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সংশ্লিষ্ট তথ্য পাঠানোর ই-মেইল ঠিকানা হিসেবে রহভড়@ধষনফ.ড়ৎম এবং বিনঃবধস@ধষনফ.ড়ৎম মেইল অ্যাড্রেস দেওয়া হয়েছে।
ওই ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘বর্তমান অরাজক পরিস্থিতিতে আপনার পরিচয় বা তথ্যের রেফারেন্স গোপন রাখা হবে।’
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় থেকে গতকাল জানানো হয়েছে, জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে আগস্টের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৪৬ দিনে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার ‘নিরপেক্ষ ও স্বাধীন’ তদন্ত করবে জাতিসংঘ। একইসঙ্গে কারা এর সঙ্গে জড়িত, মানবাধিকার লঙ্ঘনের মূল কারণ কী, সেটিও খুঁজে বের করে ন্যায়বিচার ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে। এরপরই আওয়ামী লীগ তথ্য সংগ্রহের এই আহ্বান জানাল।