পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, পাহাড়ে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন আছে কি না, জানি না। আমরা এটা অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবেই দেখছি। সেই অনুযায়ী সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।
গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যোগদান উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এটি নিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের ভাষ্য পাচ্ছি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কেউ এমন লিখছেন যে, ৫ আগস্টের পরে সেভেন সিস্টার্স অশান্ত করার এক ধরনের ভাষ্য ছাত্র-জনতা অথবা কোনো কোনো রাজনৈতিক দল থেকে করা হয়েছিল, অন্য একটি দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে বাংলাদেশকে অস্থির করার চেষ্টা হচ্ছে। এ ধরনের কোনো ভাষ্য আপনাদের কাছে আছে কি না।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমরা এটিকে আমাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবেই দেখছি। সেটা সমাধানের চেষ্টা করছি। আলাপ-আলোচনা করে একটা পরিবেশ সৃষ্টি করার মাধ্যমে যেন শান্তি বজায় থাকে, যাতে সংঘাত বৃদ্ধি না পায়। এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলার কিছু বিঘœ সৃষ্টি হয়েছে। তা সমাধার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তৌহিদ হোসেন বলেন, সেখানে যারাই আহত-নিহত হয়েছে আমাদের মানুষ। একই সঙ্গে এটাও সিদ্ধান্ত আছে যারা জড়িত বলে প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা সরকারের অবস্থান। সরকার ঐকান্তিকভাবে চাইছে এটি সমাধান করতে।
তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এর উত্তর আমি দিতে পারব না, কারণ কোনো ইন্ধন আছে কি না, আমি জানি না।