কানপুর টেস্টের চতুর্থ দিনটি নিঃসন্দেহে ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে উত্তেজনায় কেটেছে। বৃষ্টিতে গত দুদিন খেলা না হওয়ার পর আজ জেতার জন্য নিজেদের ধরনে বাজবল ক্রিকেট খেলে ভারত। টেস্টে দলীয় রানের হিসাবে দ্রুততম ৫০, ১০০, ১৫০, ২০০ ও ২৫০ রান ছোঁয়ার কীর্তি গড়ে ভারত।
হাতে ১ উইকেট থাকলেও মাত্র ৩৪.৪ ওভারে ৮.৮২ রেটে ২৮৫ রান তুলে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে পাঠায়। ৫২ রানের লিডের জবাবে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১১ ওভার ব্যাটিং করে দুই উইকেট খুঁইয়ে বসে বাংলাদেশ। এখনো পিছিয়ে ২৬ রানে। এদিন মোট ৯টি বিশ্বরেকর্ড গড়ে ভারত।
বাংলাদেশের দুটি উইকেটই নিয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ১৫ বলে ১০ রান করে জাকির হাসান ফেরেন ৭ম ওভারে। নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা হাসান মাহমুদ ফেরেন দিন শেষ হওয়ার ঠিক আগের ওভারে, ৪ রানে। ক্রিজে আছেন ৪০ বলে ৭ রান করা সাদমান ইসলাম ও প্রথম ইনিংসের অপরাজিত সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুল হক।
এর আগে ৩ উইকেটে ১০৭ রান নিয়ে প্রথম ইনিংস শুরু করে বাংলাদেশ। মুমিনুল দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে অপরাজিত থাকলেও অন্যপ্রান্তে উইকেট পতনের ঢেউ লাগে। ২৩৩ রানেই শেষ হয় ইনিংস। জাসপ্রিত বুমরা ৩টি এবং সিরাজ, অশ্বিন ও আকাশ দীপ ২টি করে উইকেট নেন। ১ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারের ৩০০তম টেস্ট উইকেটের মাইলফলক ছোঁন রবীন্দ্র জাদেজা। জবাবে শুরু থেকেই দ্রুত রান তুলতে থাকে ভারত। যশস্বী জয়সওয়াল ৫১ বলে ৭২, লোকেশ রাহুল ৪৩ বলে ৬৮, বিরাট কোহলি ৩৫ বলে ৪৭, শুবমান গিল ৩৬ বলে ৩৯ ও রোহিত শর্মা ১১ বলে ২৩ রান করেন।
ঝড়ো গতিতে ২৮৫ রান তোলার পর ইনিংস ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। প্রথম ইনিংসে ভারতের লিড দাঁড়ায় ৫২ রানের। খুব সম্ভবত নিজের শেষ টেস্টে ৫ উইকেট থেকে বঞ্চিত হন সাকিব। ১১ ওভারে ৭৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। সমান উইকেট নিতে মিরাজ দেন ৬.৪ ওভারে ৪১ রান। বাকি উইকেটটি নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। প্রথম ইনিংসে মুমিনুল হকের অপরাজিত ১০৭ রানে ভর করে ২৩৩ রান করে বাংলাদেশ।