রাত পোহালে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নামছে বাংলাদেশ, অথচ নেই সাকিব আল হাসান। আগেও সাকিবকে ছাড়া খেলেছে টাইগাররা, কিন্তু বিশ্বের অন্যতম সেরা অল-রাউন্ডার এখন টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন। তাকে ছাড়াই এখন মানিয়ে নিতে হবে দলকে। তাওহীদ হৃদয়ের কণ্ঠেও সেই আহবানই ফুটে উঠল।
সাকিব একাদশে থাকা মানেই একজন স্পেশালিস্ট বোলার এবং একজন স্পেশালিস্ট ব্যাটার থাকা। একইসঙ্গে দুই বিভাগে ক্যারিয়ারজুড়ে অবিশ্বাস্য পারফর্ম করে গেছেন তিনি। আর শেষ বেলায় এসে দেশের মাটিতে সাকিবের শেষ টেস্ট খেলতে চাওয়ার ইচ্ছা পূরণ হবে কিনা- তা অনিশ্চিত। তবে সাকিবকে ছাড়াই এগিয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
আজ শনিবার গোয়ালিয়রে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আসেন তাওহীদ হৃদয়। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়- সাকিবকে ছাড়া খেলার চাপটা বেড়ে যাবে কিনা। জবাবে হৃদয় বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চাপ সব সময়ই থাকে। যদি সেটা মাথায় থাকে তাহলে তো পারফর্ম করা যাবে না। আমাদের প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে, ভালো করার চেষ্টা করতে হবে। আর সাকিব ভাই নেই। অবশ্যই আমরা সাকিব ভাইকে মিস করব। কিন্তু এখান থেকে একদিন না একদিন সবাইকে যেতেই হবে। আশা করি, আমরা সাকিব ভাইয়ের শূন্যতা ভালোভাবে পূরণ করব।’
গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটিকেই ক্যারিয়ারের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন সাকিব। সাকিবের বিকল্প হিসেবে টি–টোয়েন্টি দলে আরেক স্পিন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজকে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সাকিবের অভাব পূরণ করা মিরাজের জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘সাকিব ভাইয়ের ব্যাপারটা হলো…অবশ্যই উনি যেহেতু এতদিন ছিলেন, এখন একটু মানিয়ে নিতে সমস্যা হবে। একাদশ সাজাতে একটু সমস্যা হবে। কারণ, সাকিব ভাই দুই দিক থেকে (ব্যাটিং–বোলিং) ভালো সমন্বয় এনে দিতেন। আমরা মিরাজকে দলে নিয়ে এসেছি। আশা করব, মিরাজ যেন ওই জায়গাটায় দ্রুত মানিয়ে নেয়।’