ভারতের মাটিতে টেস্ট খেলতে গিয়ে বিশ্বের বাঘা বাঘা দলগুলোও মুখ থুবড়ে পড়ে। তাই বাংলাদেশের ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। অস্বাভাবিক বিষয়টি হলো, ওভারের হিসেবে কানপুরে দ্বিতীয় টেস্ট বাংলাদেশ হেরেছে দুই দিনেরও কম সময়ে! খেলা হয়েছে মাত্র ১৭৪ ওভার। এজন্য ভারতকে ঝুঁকিও নিতে হয়েছিল।
কানপুরে দুই দিনের বেশি বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল। আড়াই দিন পর খেলা মাঠে গড়ালে ভারত তাদের প্রথম ইনিংসে আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করে। ওভারপ্রতি ৮.২২ করে রান তুলে টেস্ট ইতিহাসে পূর্ণাঙ্গ ইনিংসের বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ভারত। ইংল্যান্ডের ‘বাজবল’ও যেন হার মেনে যায়। বিপরীতে বাংলাদেশের ব্যাটিং ছিল ছন্নছাড়া। দ্বিতীয় ইনিংসেও একইভাবে ব্যাট করে ভারত ম্যাচ জিতে নেয় ৭ উইকেটে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে এই ম্যাচটি জেতা তাদের প্রয়োজন ছিল। তাই মারকাটারি ব্যাটিং করেছেন রোহিতরা।
তবে খেলার এই ধরনটি খুব ঝুঁকিপূর্ণ ছিল বলে স্বীকার করে নিয়েছেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিসিসিআই টিভিকে তিনি বলেছেন, ‘আগে বোলাররা নিজেদের কাজ করেছে। তারা প্রয়োজনীয় উইকেটগুলো এনে দিয়েছে। এরপর আমরা (ব্যাটসম্যানরা) ঝুঁকি নিয়েছি। জানতাম, এভাবে খেললে ম্যাচের ফল যেকোনো দিকে যেতে পারে। নেমেই মেরে খেলার সিদ্ধান্ত নিতে কোচ (গৌতম গম্ভীর) ও খেলোয়াড়দের যথেষ্ট সাহসী মানসিকতা দেখাতে হয়েছে। সিদ্ধান্তটা আমরা ড্রেসিংরুমেই নিয়েছিলাম। এটা কাজে না দিলে সবাই আমাদের সমালোচনা করত।’
রোহিত আরও বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা ছিল পরিষ্কার—ম্যাচে ফল নিয়ে আসা। যেভাবে তা হতে পারত, দলের সবাই সেভাবেই করেছে। আমার মনে হয় এটা একটা অসাধারণ সিরিজ ছিল। সিরিজটা অনেকেরই নজর এড়িয়ে যেতে পারত। সিরিজে ২৪ ক্যাচের মধ্যে ২৩টিই আমরা নিতে পেরেছি। এটা খুবই ভালো ব্যাপার, বিশেষ করে স্লিপে দাঁড়ানো ফিল্ডারদের জন্য। স্লিপে এতগুলো ক্যাচ যাচ্ছে, ভারতে খেলা হলে এমনটা প্রতিনিয়ত দেখা যায় না। উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো ফিল্ডাররা যথেষ্ট প্রখর ছিল। টেলিভিশনে এই ক্যাচগুলো দেখলে সহজ মনে হতে পারে। কিন্তু বিশ্বাস করুন, কাজটা সহজ নয়।’
এই ব্যাটিং দিয়ে ইংল্যান্ডকে আটকাতে পারবে বাংলাদেশ?
মাশরাফিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মুশফিক
মেসিদের ম্যাচ দেখানো হবে ২৫ হাজার বর্গফুটের পর্দায়!