ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অভিযানে সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাসের ৩ সদস্য নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার রয়েছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলা হয়, যে ভবনে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে সেখানে ইসরায়েলি জিম্মির উপস্থিতির কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলের আর্মি রেডিওর বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরে স্থল অভিযানের সময় ইসরায়েলি সেনারা ৩ হামাস সদস্যকে হত্যা করে এবং তাদের লাশ নিয়ে যায়।
সম্ভবত তাদের মধ্যে একজন সিনওয়ার ছিলেন। ইসরায়েলের কারাগারে সিনওয়ারের ডিএনএর নমুনা রয়েছে, সেখানে তার ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে।
তাৎক্ষণিকভাবে হামাসের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সিনওয়ার সম্পর্কে মিডিয়া নয়, বরং তাদের কাছ থেকে তথ্যের জন্য অপেক্ষা করতে ফিলিস্তিনিদের আহ্বান জানিয়েছে হামাস সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট আল-মাজদ।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার অন্যতম নীতিনির্ধারক সিনওয়ার তখন থেকেই দেশটির মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। ধারণা করা হয়, গত দুই দশক ধরে গাজার নিচে হামাস যে সুড়ঙ্গ নির্মাণ করেছে, সম্ভবত তার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছেন তিনি। জুলাইয়ে তেহরানে সাবেক রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ হত্যাকাণ্ডের পর গাজা উপত্যকায় হামাসের নেতা হিসেবে সিনওয়ারের নাম ঘোষণা করা হয়।
গত বছরের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের অভিযানে ৪২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এছাড়া উপত্যকার বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং এর বেশিরভাগ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।