সহিংসতার ক্ষেত্রে কোনো অজুহাত চলে না : যুক্তরাষ্ট্র

সহিংসতার ক্ষেত্রে কোনো অজুহাত চলে না এবং বাংলাদেশে সহিংসতার জন্য দায়ী যেকোনো ব্যক্তিকে জবাবদিহি করা উচিত বলে মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার নিয়মিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

এক সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার বিদায়ের পর বাংলাদেশে ৮ আগস্ট পর্যন্ত হাসিনাবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই সময় বাংলাদেশে তিন হাজারের বেশি পুলিশ নিহত হয় ও চার শতাধিক থানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং আন্দোলনকারীরা আওয়ামী লীগের অনেক সদস্যকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছেন।

মার্কিন প্রশাসন কি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাসহ সব ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করবে?

ম্যাথিউ মিলার বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে হোক বা প্রতিবাদকারীদের দ্বারা সংঘটিত হোক, সহিংসতার কোনো অজুহাত গ্রাহ্য করা হবে না। একই সঙ্গে যারা সহিংসতার জন্য দায়ী তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।’

সাম্প্রতিক দুর্গাপূজার সময় ম-পে গাওয়া একটি ইসলামিক গান সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে মিলার জানান, অবশ্যই তারা বাংলাদেশসহ সব দেশেই ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, পর্যালোচনা করে আপনাদের কাছে এর উত্তর দেব।

কয়েক দিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ১৫ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত সংগঠিত জুলাই অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে কোনো মামলা, গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা হবে না।

তবে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) চেয়ারপারসন জেড আই খান পান্না বলেছেন, ফৌজদারি অপরাধের জন্য দায়মুক্তির কোনো সুযোগ নেই। এখন যেসব প্রচেষ্টা চলছে তা অবৈধ।