সিরিজের প্রথম দুই টেস্ট শেষে ফলাফল ১-১। তাই রাওয়ালপিন্ডি টেস্টটি সিরিজ নির্ধারণী। পিচ স্পিন সহায়ক হবে সেটির আভাস আগেই পাওয়া গিয়েছিল। বড় বড় ফ্যান ব্যবহার করে পিচ স্পিন সহায়ক করে তোলে স্বাগতিকরা, এমনকি পাকিস্তান একাদশেও রাখে মাত্র এক পেসার।
প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড অলআউট হয়েছে ৬৮.২ ওভার, সব বলই করেছেন স্পিনাররা। সাজিদ খান নিয়েছেন ৬ উইকেট। দলে পেসার আমের জামাল থাকলেও তাকে দিয়ে বল করাননি পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। স্পিন ঘুর্ণিতে ইংল্যান্ডকে ২৬৭ রানে অলআউট করে পাকিস্তান। তবে দিন শেষে নিজেরাও খুব একটা স্বস্তিতে নেই। দিন শেষে পাকিস্তান তুলেছে ৩ উইকেটে ৭৩ রান।
উদ্বোধনী জুটিতে ৫৬ রান তোলে ইংলিশরা। সেই জুটি ভাঙেন নোমান আলী ক্রলিকে (২৯) ফিরিয়ে। এরপর ইংলিশ ব্যাটিং নড়বড়ে করে দেন সাজিদ। একে একে ফেরান অলি পোপ (৩), জো রুট (৫), হ্যারি ব্রুক (৫) ও বেন স্টোকসকে (১২)। মাঝে নোমান বেন ডাকেটকে (৫২) ফেরালে ইংল্যান্ডের স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১১৮ রান।
কিন্তু জেমি স্মিথ ও গাস আটকিনসন সেই ধাক্কা সামাল দেন। সপ্তম উইকেটে ওঠে ১০৫ রান। স্মিথ ৮৯ ও আটকিনসন ৩৯ করে ফিরলে আর বেশিদূর এগোতে পারেনি ইংল্যান্ড।
সাজিদ ১২৮ রানে নিয়েছেন ৬ উইকেট। তৃতীয়বারের মতো ইনিংসে ৫ উইকেট নিলেন তিনি। শেষ তিন ইনিংসে ১৫ উইকেট নিলেন পাকিস্তানি এই অফ-স্পিনার। ৩ উইকেট নিয়েছেন নোমান আলী, একটি নেন জাহিদ মাহমুদ।
জবাব দিতে নেমে স্বস্তিতে নেই পাকিস্তানও। দলীয় ৩৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। আব্দুল্লাহ শফিককে ফেরান আরেক স্পিনার শোয়েব বশির। আরেক ওপেনার সইম আইয়ুব (১৯) আউট হন লিচের বলে। আগের টেস্টে সেঞ্চুরিয়ান কামরান ঘুলাম এদিন ফেরেন মাত্র ৩ রানে। শান মাসুদ (১৬) ও সৌদ শাকিল (১৬) দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন।
রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম দিনে যাওয়া ১৩ উইকেটের ১২টি নিয়েছেন স্পিনাররা।