অভিষিক্ত জাকেরের ছক্কায় ২৫২ বাংলাদেশের

ব্যাটসম্যানদের কান্ডজ্ঞানহীন ব্যাটিংয়ের কারণে প্রথম ম্যাচটা হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। শারজায় আজ সেই ব্যাটসম্যানরাই যেন কিছুটা শাপ মোছন করলেন। শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৪০-২৬০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করালেই লড়াই হয় হাড্ডাহাড্ডি। ইনিংসের শেষ বলে ফাজালহাক ফারুকির ফুল লেংথ ডেলিভারি লং অফ দিয়ে ছক্কা মারলেন জাকের আলি। তাতেই আড়াইশ ছুঁয়ে ফেলল বাংলাদেশ।

টসের সময় বাংলাদেশকে ২৪০ রানের ভেতরে আটকাতে চাওয়ার লক্ষ্যের কথা বলেছিলেন আফগানিস্তান অধিনায়ক হাশমাতউল্লাহ শাহিদি। তাদের হতাশ করে ৭ উইকেটে ২৫২ রান করেছে বাংলাদেশ। জিততে হলে আফগানিস্তানকে করতে হবে ২৫৩ রান।

১১৯ বলে ৭৬ রান করে ফেরেন অধিনায়ক

টসে জিতে ব্যাটিং নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন। প্রথম ম্যাচের বড় ধসের কথা মাথায় ছিল বলেই হয়তো শুরু থেকেই সতর্ক ছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। চতুর্থ ওভারেই দলের ২৮ রানে তানজিদ হাসানকে হারানোর পর সেই সতর্কতা আরও বাড়ে।

সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন মিলে ব্যাট করতে থাকেন ধীরলয়ে। মাঝারি জুটিও গড়েন তারা। সৌম্য দুটি করে চার ও ছয়ে ৪৯ বলে ৩৫ রান করে আউট হওয়ার আগে দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুলের সঙ্গে মিলে তোলেন ৭১ রান। এরপর তৃতীয় উইকেটে মেহেদেী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নাজমুল তোলেন ৫৩ রান।

দুটি ফিফটি জুটি হওয়ার পরও অবশ্য ধস আটকাতে পারেনি বাংলাদেশ। ৩২ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে কিছুটা এলোমেলো হয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ২ উইকেটে ১৫২ থেকে মিরাজ, হৃদয়, নাজমুল ও মাহমুদউল্লাহকে হারিয়ে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ৬ উইকেটে ১৮৪ রান। নাজমুল ১১৯ বল খেলে আউট হয়েছেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৬ রান করে।

এই ধসের পর সপ্তম উইকেটে জাকের আলী ও নাসুম আহমেদের ৪১ বলে ৪৬ আর অষ্টম উইকেটে জাকের আলী ও তাসিক আহমেদের ১৪ বলে অবিচ্ছিন্ন ২২ রানের জুটিতে ৭ উইকেটে ২৫২ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। ওয়ানডে অভিষেকে সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১ চার ও ৩ ছয়ে ২৭ বলে অপরাজিত ২৭ রানের ইনিংস খেলেন জাকের। ১ চার ও ২ ছয়ে নাসুম করেন ২৪ বলে ২৫ রান।

আফগানিস্তানের হয়ে ৩ উইকেট নেন নানগেয়ালিয়া খারোতে। মাত্র ৩২ রানে ২ উইকেট পান রাশিদ খান। ফজলহক ফারুকি ৭ ওভারে খরচ করেন ৬৯ রান। ছিলেন উইকেটশূন্য।