দেশের প্রথম প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি রূপায়ণ সিটির স্থাপত্য সৌন্দর্য দেখতে দেখতে চোখে একসময় ধাঁধাঁ লেগে যায়। এরই মধ্যে গালা ফ্যাশন নাইট উপলক্ষে রবিবার (১০ নভেম্বর) আলোয় আলোয় সেজেছিল পুরো রূপায়ণ সিটি। বিকেল সাড়ে ৫টা বাজতেই চারদিকের জমাট অন্ধকার ফুঁড়ে জ্বলে ওঠে হাজারো আলো। স্বনামধন্য ফ্যাশন ডিজাইনার চমন চৌধুরীর ৩ দিনের পোশাক প্রদর্শনীর শেষ দিনে ছিল এমন ঝলমলে আর জমকালো আয়োজন।
রূপায়ণ সিটি উত্তরার স্কাই ভিলা লাউঞ্জে ‘ডিজাইনার্স ফেস্ট’র শেষ দিনের সন্ধ্যায় শুরু হয় গালা ফ্যাশন নাইট। গানের তালে তালে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মণিপুরী, জামদানি ও পাটের তৈরি পোশাকে একে একে মঞ্চে আসেন দেশের একঝাঁক তারকা ফ্যাশন মডেল। নারীরা শাড়ি ও পুরুষ মডেলদের পরনে ছিল পাঞ্জাবি। তাদের পরিচালনা করেন ডিরেক্টর রাকিব বাবু। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন চমন চৌধুরী ও দ্য ফ্যাম।
রাকিব বাবু বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই চমন চৌধুরীর ইচ্ছে ভিন্ন কিছু তৈরি করার, যা দেশ ও জাতির কল্যাণে সহযোগী হবে। এরই ধারাবাহিকতায় চমনের পোশাকে ব্যবহার করা হয়েছে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ নামে পরিচিত পাট। কিছু পোশাকে হাতে বোনা সিল্ক ও সুতির কাপড়ের ওপর সোনালী আঁশের কাজ রয়েছে। পোশাকগুলো যাতে আরামদায়ক হয় সে চেষ্টা করেছেন তিনি। তবে কিছু পোশাককে নির্দিষ্ট আকার দেওয়ার জন্য প্রিন্টের ব্যবহার করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য ও তরুণ-তরুণীদের উদ্দেশ্য করেই মূলত বানানো হয়েছে পোশাকগুলো।’
রূপায়ণ গ্রুপের পরিচালক (মার্কেটিং) অমিত চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘দেশের প্রথম প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি হিসেবে সাধারণ মানুষ রূপায়ণ সিটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। একসময় মানুষ আবাসন খাত মানেই চিন্তা করতো ইট, কাঠ, পাথরের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এ ধারণাটি বদলে দিয়েছে রূপায়ণ সিটি। এই সিটিতে যেসব মানুষ বসবাস করছেন, আমি বলব— তারা নিজেদের জীবন উপভোগ করছেন। আমি মনে করিও— আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক আবাসন খাতে একটি বড় সার্থকতা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমাদের স্কাই ভিলা লাউঞ্জে ডিজাইনার্স ফেস্ট হয়েছে। এত বড় একটি আয়োজন যিনি করেছেন, তিনি স্বনামধন্য ডিজাইনার চমন চৌধুরী। তিনি পোশাকের সঙ্গে সোনালী আঁশ যুক্ত করে দেশে নয়, সারা বিশ্বব্যাপী সুনাম কুড়িয়েছেন। যারা উন্নত জীবন ব্যবস্থা ও মনোজাগতিক চাহিদা পূরণের জন্য পূর্ণাঙ্গ আবাসন চান স্কাই ভিলা তাদের জন্যই উপযুক্ত বাসস্থান। কারণ এ সব আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাব বলে আমি মনে করি।’