জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ সংশোধনের লক্ষ্যে মানবাধিকার কমিশনের প্রস্তাব আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। গত ১ অক্টোবর কমিশনের ১১১তম কমিশন সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে গতকাল মঙ্গলবার কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে জাতীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের মানদ- সম্পর্কিত নীতিমালার (প্যারিস নীতিমালা) আলোকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনা তদন্ত ও প্রতিকারের লক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারা/উপধারা সংশোধনের প্রস্তাব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লেজিসলেটিভ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি তদন্ত করার এখতিয়ার প্রাপ্তির লক্ষ্যে আইনের ১৮ ধারা বিলুপ্তি, ৭ (১) ধারাতে কমিশনের চেয়ারপারসন ও কমিশনারদের নিয়োগের জন্য বাছাই কমিটি সাত সদস্যের পরিবর্তে ৯ সদস্যের করা, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক এবং সুশীল সমাজের একজন প্রতিনিধি যিনি স্পিকার কর্তৃক মনোনীত হবেন এমন দুজনকেও বাছাই কমিটিতে রাখার বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিশনের সমন জারির পরও যদি কোনো ব্যক্তি কমিশনে হাজির না হয়, তাহলে তাকে কমিশনে হাজির করার লক্ষ্যে কমিশন জামিনযোগ্য সাক্ষীর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করার ক্ষমতাসহ বেশ কিছু প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ১০৪তম কমিশন সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯-এর সংশোধনের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি সংশোধনী প্রস্তাবের খসড়া প্রণয়ন করে যা গত ১ অক্টোবর কমিশন সভায় অনুমোদিত হয়।