শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ‘গুম হয়ে যাওয়া পরিবার এবং নির্যাতিত পরিবারের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে বর্তমান সরকার। এই রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে। কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ, ছাত্ররা যে জীবন দিল, তারা যে অত্যাচারিত হলো, তাদের কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। এই লক্ষ নিয়েই অন্তর্বর্তী সরকার চেষ্টা করছে।’ গতকাল শনিবার বিকেলে (সন্ধার আগে) পঞ্চগড় চিনিকল পরিদর্শন শেষে চিনিকলের শ্রমিক, কর্মচারী ও আখ চাষিদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা বন্ধ কলকারখানা চালু করতে চাই। আমরা ক্রমান্বয়ে সব বন্ধ কলকারখানা চালু এবং নতুন নতুন উদ্যোগ যাতে শুরু হয়, সেটার চেষ্টা করতে চাই। কাল-পরশু চালু হবে এমন বক্তব্য আমরা দিতে পারি না। আমরা উদ্যোগগুলোকে আগায় নিতে চাই। কারখানা বন্ধের কারণে অসংখ্য মানুষ তাদের পেশা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। তাদের আবার পেশায় ফিরে আনা, আখের জন্য উন্নতমানের বীজ দেওয়া, যারা দীর্ঘদিন চাকরি করেও পেনশন পাচ্ছেন না, তাদের কাছে সেটা পৌঁছায় দেওয়ার কাজগুলো করার চেষ্টা করছি।’
এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয় সারজিস আলম বলেন, পঞ্চগড়বাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় শিল্প উপষ্টোর কাছে পুরো পঞ্চগড়ের মানুষের আশা এবং আকাক্সক্ষার প্রতীক এই বন্ধ থাকা পঞ্চগড় চিনিকল চালু করা। আমরা মন খুলে এই আবদার তার কাছে করতে চাই, বন্ধ থাকা চিনিকলগুলোর মধ্যে উত্তরবঙ্গে যদি একটি চিনিকল চালু হয়, সেটি যেন আমাদের পঞ্চগড় চিনিকল হয়।
এর আগে শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান পঞ্চগড় চিনিকল এলাকা এবং এর অবকাঠামো, কারখানার যন্ত্রাংশ ঘুরে দেখেন।