নাটোরের বড়াইগ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১১ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিকালে ও রাতে উপজেলার আহম্মেদপুর নওপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের নাজমুল হুদা রাজ (৪৫), বড়াইগ্রামের আহম্মেদপুর নওপাড়া গ্রামের ময়েন উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৩২), সিরাজুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম (৩০) ও বাবু (৩৮), আলাউদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৫) এবং তাইজুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২২), কায়েমকোলা গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৪৫), মিজানুর রহমান (৩৫) ও জয়েন উদ্দিন (৩০), আব্দুর রশিদ মুন্সীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৫) ও শফিকুল ইসলাম (২৫) ।
আহতদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল ও বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, জোয়াড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জুলহাস উদ্দিন সমর্থিত নওপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদ মুন্সী ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল হোসেন সমর্থিত শহীদুল ইসলামের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার বিকালে এ ব্যাপারে মীমাংসার জন্য সালিশ বৈঠক বসে। সালিশের এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে শহীদুল ইসলাম ও তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করলে আব্দুর রশিদ মুন্সীর পাঁচ স্বজন আহত হন। পরে রাত আটটার দিকে জুলহাস উদ্দিনের সমর্থকরা একত্রিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুলাল হোসেনের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে আরো ছয় জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষেই পৃথক পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।