দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের অভিশংসনের জন্য বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে। গতকাল সোমবার থেকে এই পর্যালোচনার প্রক্রিয়া শুরু হলো। ইউন ক্ষমতায় থাকতে পারবেন কি না, পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবে সাংবিধানিক আদালত।
দেশটির পার্লামেন্ট সামরিক আইন জারিকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্টের অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর ইউনকে তার দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হয়। ৩ ডিসেম্বর টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় ইউন হঠাৎ করেই সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন। এতে সবাই হতবাক হয়ে পড়েন। জনতা রাস্তায় নেমে এসে ইউনের পদত্যাগ দাবি করতে থাকে। দেশের জনগণ ও আইনপ্রণেতাদের প্রবল বিরোধিতার মুখে ঘোষণার ছয় ঘণ্টা পর সামরিক আইন জারির আদেশ বাতিল করেন ইউন। কিন্তু ততক্ষণে দেশটি গভীর রাজনৈতিক সংকটে পড়ে যায়। বিরোধী দল নিয়ন্ত্রিত পার্লামেন্টে ইউনের অভিশংসন প্রস্তাবের প্রথম ভোটাভুটি ব্যর্থ হওয়ার পর গত শনিবার দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় আইনপ্রণেতারা তাকে অভিশংসিত করার পক্ষে ভোট দেন।