রিকন্ডিশন্ড গাড়ি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) নির্বাচন অবৈধভাবে অনুষ্ঠিত করার প্রস্তুতির অভিযোগ উঠেছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে স্বাধীন নিরপেক্ষ কমিশনের অধীনে নির্বাচন চেয়ে আদালতে রিট করার পর- আদালত নির্বাচন স্থগিত করার নির্দেশ দিলেও সেটি মানা হচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে পাতানো নির্বাচনের পাঁয়তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্ধ করা না হলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আদালতে রিটকারী ব্যবসায়ীদের পক্ষে এ অভিযোগ করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আমানউল্লাহ।
তিনি বলেন, বারভিডার নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের শুরুতে। কিন্তু নিয়মবর্হিভূতভাবে তৎকালীন সরকারের আস্থাভাজন আব্দুল হকের নেতৃত্বাধীন আজ্ঞাবহ কমিটি বহাল রাখা হয়। এই আব্দুল হক আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সহস্রাধিক গাড়ি আমদানি করে ৯০ পার্সেন্ট অবচয়ের সুযোগ নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। ২০২১ সালে বারভিডার সভাপতি থাকাকালে আব্দুল হকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগ উত্থাপিত হলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপ-সচিব ড. মো. আলম মোস্তফা একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদনে আব্দুল হক চক্রের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়।