বিশেষ ক্লাসের নামে এক নাবালিকা ছাত্রীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে টিউশন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষককে ১১১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ছাত্রীকে ধর্ষণের আত্মহত্যা করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের কেরালা রাজ্যের তিরুঅনন্তপুরমে।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি সরকারি চাকরি করতেন। পাশাপাশি টিউশনিও করতেন। ওই ছাত্রীকে বিশেষ ক্লাসের নাম করে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ করেন তিনি। ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও রেকর্ডও করেছিলেন নিজের মোবাইলে। ঘটনার পর ওই ছাত্রী টিউশনে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। তার পর তার ছবি এবং ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরালও করে দেয় অভিযুক্ত।
ছাত্রীর পরিবার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। যদিও তদন্তকারীদের ভুল তথ্য দিয়ে তিনি বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার মোবাইল ফোনের সূত্র ধরেই দোষ প্রমাণ করে দেন ছাত্রীর পক্ষের আইনজীবীরা।
এদিকে নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা জানতে পেরে অভিযুক্তের স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। তিরুঅনন্তপুরমের ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের বিচারক আর রেখা তাকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। ১১১ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি অভিযুক্তকে ১.০৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও দিতে বলা হয়েছে।