অধিনায়ক হিসেবে টানা ২৪ ম্যাচ হেরেছিলেন সুজন!

বিপিএলের দুই আসর মিলিয়ে টানা ১৫ ম্যাচ হেরেছে ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজি, যাদের প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। এই দুই আসরে ঢাকার মালিকানা পরিবর্তন হলেও সুজনের কোচের পদ অক্ষত আছে। তাই তিনিই হয়েছেন বিপিএলে টানা ১৫ ম্যাচ হারা একমাত্র কোচ। বিশ্বের অন্য কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে এমন রেকর্ড আছে কিনা- সেটা রীতিমতো গবেষণার বিষয়।

খালেদ মাহমুদ সুজনের জন্য এই অভিজ্ঞতা নতুন নয়। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিলেন সুজন। ওই বছর তার নেতৃত্বে টানা ১৫ ওয়ানডে ম্যাচ হেরেছিল বাংলাদেশ! কমপক্ষে ১০ ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছেন- বাংলাদেশের এমন অধিনায়কদের মধ্যে শুধু খালেদ মাহমুদেরই কোনো জয় নেই! শুধু তাই নয়, ওই বছর সুজনের নেতৃত্বে ৯ টেস্টের সবগুলোতে হেরেছিল বাংলাদেশ!২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে মুলতান টেস্টে হারের পর অধিনায়ক খালেদ মাহমুদের কান্না।

২০১২ সালে বিপিএলের উদ্বোধনী আসর থেকেই সুজন কোচিংয়ে যুক্ত হয়েছিলেন। ওই আসরে তিনি ছিলেন চিটাগং কিংসের প্রধান কোচ। ছয় দলের মাঝে তার দল হয়েছিল পঞ্চম। ২০১৩ সালে বরিশাল বার্নার্সের সহকারী কোচ হিসেবে সাত দলের মাঝে ৬ষ্ঠ হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেন। ২০১৬ বিপিএলে খালেদ মাহমুদের কোচিংয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ঢাকা ডায়নামাইটস। এটাই তার বিপিএলে একমাত্র সাফল্য। তারপর থেকেই সুজনের কোচিংয়ে বিপিএলে কোনো দলের সাফল্য নেই।

এত ব্যর্থতার পরও নতুন ক্রিকেটার তৈরিতে সুজনের অবদান স্বীকার করতেই হবে। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে দেশের ক্রিকেটের সাফল্যের পেছনের অন্যতম কারিগর এই সুজনই। কিন্তু বিপিএলে তার কোচিংয়ে দলের পারফর্মেন্সের গ্রাফ এত নিম্নমুখী কেন- সেটা অবশ্যই ভাবনার বিষয়। খালেদ মাহমুদ হয়তো নিজেই জানেন এর উত্তর।