সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৪ 

কক্সবাজারের চকরিয়ায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন বদরখালীর বাজারপাড়ার জিয়বুল করিমের ছেলে তাজুল ইসলাম (১৮)। 

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চকরিযার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আনোয়ারুল কবিরের সামনে ওই জবানবন্দী দেন ভিকটিমের বাবার দায়ের করা ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি তাজুল। 

জবানবন্দীতে তাজুল স্বীকার করেছেন তিনিসহ ছয়জন মিলে ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার দিনগত রাতে তাজুলকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নামোল্লেখ করে চকরিয়া থানায় ধর্ষণ মামলা করে ভুক্তভোগীর পরিবার। 

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকরিয়া থানার এস আই মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, মঙ্গলবার দিনগত ভিকটিমের দেয়া তথ্য অনুসারে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ছয়জনকে অভিযুক্ত করে মামলা করে। এর আগে পুলিশ হাতে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক ৮ জনের মধ্যে চারজন ঘটনায় জড়িত বলে শনাক্ত করেছে ভুক্তভোগী কিশোরী। দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার আদালতে পাঠায় পুলিশ। এর মধ্যে তাজুল আদালতে তিনিসহ ছয়জন মিলে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে স্বীকার করেছেন। 

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল কাদের ভূঁইয়া বলেন, বুধবার মামলার বাদী ও আসামিদের আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে এক আসামি দায় স্বীকার করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা বলেছেন। এর মধ্যে চারজনকে আমরা ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছি। বাকি দুইজনকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।