শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ২৬ রান। এমন পরিস্থিতিতে রংপুর জিততে পারে- এমনটা কারো ভাবার কথা না। বরিশাল তখন প্রায় জয়ের খুশিতে আত্মহারা। এমন পরিস্থিতিতে দুর্দান্ত প্রতাপশালী হয়ে উঠলেন রংপুর অধিনায়ক সোহান। তার অনবদ্য ক্যাপটেনস নকে শেষ ওভারে প্রয়োজন ২৬ রানের জায়গা ৩০ রান তুলে জয়ের ডাবল হ্যাটট্রিক পূরণ করেন নুরুল হাসান সোহান। এই আসরে দ্বিতীয়বার রংপুরের কাছে হারের ব্যথা সইতে হয় বরিশালকে।
এর আগে লাক্কাতুড়ায় ৫ উইকেটে ১৯৭ রানের বড় পুঁজি পায় বরিশাল। বরিশালের হয়ে ২৯ বলে সর্বোচ্চ ৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন কাইল মায়ার্স। সেই মায়ার্স ম্যাচের শেষ ওভারটি করতে এসে সোহানের হাতে হজম করেন ৩০ রান।
ফরচুন বরিশালকে আজ ঝড়ো শুরু এনে দেন অধিনায়ক তামিম আর নাজমুল হোসেন শান্ত। ওপেনিং জুটিতেই আসে ৮১ রান। শান্ত ৩০ বলে ৫ চার ১ ছক্কায় ৪১ রানে ফেরার পর তামিমও আউট হন ৩৪ বলে ৪০ রানে। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার এবং দুটি ছক্কার মার। এই ইনিংস খেলার পথেই তামিম প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৮ হাজার রানের মাইফলক ছোঁন।
জবাবে বরিশালকে আগের ম্যাচে হারিয়ে দেওয়া অ্যালেক্স হেলস ও সাইফ হাসানের দুজনই ফেরেন অল্প রানে। ৬৬ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দুই পাকিস্তানি ইফতিখার ও খুশদিল মিলে চতুর্থ উইকেটে গড়েন ৯১ রানের জুটি। কিন্তু ৪ বলের ব্যবধানে ফিরে যান দুজনই। ৪৮ করে রান করার পথে ইফতিখার খেলেন ৩৬ বল, খুশদিল ২৪ বল।
শেষ দুই ওভারে ৩৯ রান দরকার ছিল রংপুরের। ওই সময় ক্রিজে চালাকি করে জাহানদাদকে অবস্ট্রাক্ট করেন নন স্ট্রাইকে থাকা সোহান। রিপ্লে দেখে কপাল পোড়ে মেহেদির। ১৯তম ওভারে ১৩ রান এলেও ৩ উইকেট হারায় রংপুর।
শেষ ওভারে প্রয়োজন ২৬ রান ও সতীর্থকে আউট করার অনুশোচনা থেকেই হয়তো জ্বলে ওঠেন সোহান। ৬, ৪, ৪, ৬, ৪, ৬ হাঁকিয়ে ঠিকই ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ৭ বলে ৩২ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস উপহার দেন সোহান।