অ্যানফিল্ডে অ্যাক্রিংটন স্ট্যানলিকে ৪-০ গোলে হারিয়ে এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে জায়গা নিশ্চিত করেছে লিভারপুল। বুধবার কারাবাও কাপের সেমি-ফাইনালের প্রথম লেগে টটেনহামের বিপক্ষে হারের পর এ জয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ দলটির জন্য।
ডারউইন নুনেজের পাস থেকে ২৯তম মিনিটে গোল করেন ডিয়োগো জোটা, যার মাধ্যমে লিভারপুল অ্যাক্রিংটনের প্রথমার্ধের প্রতিরোধ ভাঙতে সক্ষম হয়। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের অসাধারণ শটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। পেনাল্টি এলাকার প্রান্ত থেকে নেওয়া এই শটটি সরাসরি গোলপোস্টের উপরের কোণে গিয়ে প্রবেশ করে।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাক্রিংটন স্ট্যানলি চেষ্টা চালিয়ে গেলেও গোলের দেখা পায়নি। লিভারপুলের সমর্থক এবং অ্যাক্রিংটনের ফরোয়ার্ড জশ উডস একবার ক্রসবারে আঘাত করেন। সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ডিফেন্ডার ডোনাল্ড লাভ ফাঁকায় হেড নেওয়ার সুযোগ পেলেও তা গোলে পরিণত করতে ব্যর্থ হন।
১৬ বছর ১৩৫ দিন বয়সী রিও নুগুমোহা লিভারপুলের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ একাদশে শুরুর সুযোগ পাওয়া খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন। তরুণ এই উইঙ্গার দর্শকদের মন জয় করেন। তার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ১৮ বছর বয়সী জেডেন ড্যান্স, যিনি মাঠে নেমে মাত্র চার মিনিটের মধ্যেই গোল করেন। বদলি হিসেবে নামা ইতালিয়ান খেলোয়াড় ফেডেরিকো কিয়েসা ম্যাচের শেষ মুহূর্তে তার প্রথম গোলটি করেন। জুভেন্টাস থেকে আগস্টে যোগ দেওয়া কিয়েসা ইনজুরির কারণে এ মৌসুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি।
লিভারপুলের কোচ আরনে স্লট এখন চতুর্থ রাউন্ডের প্রতিপক্ষ জানার অপেক্ষায়। রবিবার আর্সেনাল ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মধ্যকার ম্যাচ শেষে ড্রয়ের মাধ্যমে লিভারপুলের প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হবে।
অ্যাক্রিংটনের মতো লিগ টু দলের বিপক্ষে সহজ জয় পেলেও, তাদের দ্বিতীয়ার্ধের লড়াকু মানসিকতা প্রশংসার দাবিদার। তবে এ জয়ের মাধ্যমে লিভারপুল তাদের আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে সক্ষম হয়েছে এবং এফএ কাপে এগিয়ে যাওয়ার পথ পরিষ্কার করেছে।