খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে দুর্বার রাজশাহীকে ম্যাচটা প্রায় জিতিয়েই ফেলেছিলেন বিজয়। ক্যারিয়ারের প্রথম বিপিএল সেঞ্চুরির দিনে শেষ ওভারে ১৭ রানের কঠিন সমীকরণটা মেলাতে পারেননি অধিনায়ক। ৭ রানে জিতেছে খুলনা টাইগার্স। ম্যাচ শেষে দলকে জেতাতে না পারায় এই সেঞ্চুরিকে বিশেষ কিছু হিসেবে দেখছেন না বিজয়। সেই সঙ্গে দেশি ক্রিকেটারদের সামর্থ আটকে থাকার কারণও খোলাসা করেছেন তিনি।
ম্যাচশেষে সংবাদ সম্মেলনে বিজয় বলেন, ‘আসলে আমার ইনিংস নিয়ে বিশেষ করে বলার কিছু নেই। ম্যাচ জেতাতে পারলে আলাদা শান্তি লাগত। এমন ম্যাচ জেতাতে পারা কিন্তু ব্যাটারের জন্য স্বপ্নের মত ব্যাপার। সবার আশা থাকে ক্যারিয়ারে এমন ৫-৬টা ম্যাচ সে জেতাবে। একা নিজের হাতে। তখন নিজের ইনিংসটা সামারি করতে পারতাম। একটা সংখ্যা ভালো সংখ্যা সুন্দর সংখ্যা। আফসোস থেকে যাবে।’
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বিকাশের প্রসঙ্গে ৫৭ বলে ৯ চার ও ৫ ছক্কায় ১০০ রানে অপরাজিত ইনিংস খেলা বিজয় বলেন, ‘আমরা খেলাটাকে খুব নিখুঁতভাবে দেখার চেষ্টা করি। মাহিদুল অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, জাকির হাসান যেসব ইনিংসগুলো খেলছে। শামীমের দারুণ ইনিংস, আজকে আফিফ । আমাদের ছেলেরা কিন্তু বাইরের লিগে অত সুযোগ পায় না। দেশের নাম বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্লেয়াররা ফ্র্যাঞ্চাইজি কম খেলে। সাকিব ভাই, মুশফিক ভাই, মোস্তাফিজ, তাসকিনদের খেলতে দেখেছি কিছু কিছু। আফগানিস্তানের জাতীয় দলে খেলে না তারাও কিন্তু বিগ ব্যাশ, আইপিএল খেলছে। তারা কিন্তু বড় প্লেয়ারে পরিণত হচ্ছে।’
‘আমাদের মধ্যেও কিন্তু সেই কোয়ালিটি রয়েছে। তারা প্রমাণ করার সুযোগ তখনই পায় যখন এই ম্যাচগুলো হয়। যে নামগুলো বললাম তাদের মাঝে সামর্থ্য আছে। প্রতিভার চেয়ে পারফর্মার বেশি জরুরি। এই ছোট ইনিংস যদি বড় করা যায় ধারাবাহিক হতে পারে ভালো প্লেয়ারে রূপ নিবে। তারা দারুণ ক্রিকেট খেলছে নিজেরা বড় ক্রিকেটারে পরিণত হবে।’-যোগ করেন বিজয়। আজ রাতেই ফের সুযোগ পাবেন তিনি। ৮ ম্যাচে ৩ জয়ে পয়েন্ট তালিকার পাঁচে থেকে দুর্বার রাজশাহী খেলবে স্বাগতিক চিটাগং কিংসের বিপক্ষে।