স্কিনকেয়ারে শীর্ষ ট্রেন্ড

বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সবসময় টিকে থাকা কিছুটা কঠিন। এর একটা কারণ হতে পারে প্রতি বছরই কিছু ট্রেন্ড আসা এবং চলে যাওয়া। চলুন এ বছর কোন ট্রেন্ডগুলো শীর্ষে থাকতে পারে।

স্কিনকেয়ারে টেকনোলজি : স্কিনকেয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে টেকনোলজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ফেসিয়াল ক্লিনজিং ব্রাশ, এলইডি লাইট থেরাপি মাস্ক, মাইক্রোকারেন্ট থেরাপিগুলো জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কারণ বাড়িতে বসেই এগুলো সহজে ব্যবহার করা যাচ্ছে এখন।

স্ক্যাল্পের যত্ন : স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য  যেসব প্রোডাক্ট ড্যানড্রাফ দূর করে, হেয়ার থিন করে, স্ক্যাল্পের হাইড্রেশন ধরে রাখে সেসবের ডিমান্ড এখন অনেক বেশি। স্ক্যাল্প যেহেতু ত্বকেরই একটি অংশ, তাই স্কিনকেয়ার রুটিনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে স্ক্যাল্প কেয়ার। যেহেতু হেয়ার গ্রোথের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত, তাই বলা যায়, বছর জুড়ে এর কদর বাড়বে।

সানস্ক্রিনের ব্যবহার : সানস্ক্রিন এখন শুধু সূর্যরশ্মি থেকে ত্বক সুরক্ষিত রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, ত্বক আর্দ্র রাখা, বয়সের ছাপ কমানোর উপাদান যুক্ত করা, পরিবেশের দূষণ থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখা এমন নানা উপকারিতা রয়েছে সানস্ক্রিনের। ২০২৫-এ গ্রাহকদের কাছে এমন সানস্ক্রিন প্রাধান্য পাবে যেগুলো অল্পতেই ব্লেন্ড হয়ে যায়, দীর্ঘ সময় ধরে ত্বককে সুরক্ষিত রাখে। এসপিএফ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, এমন সানস্ক্রিনগুলোর বাজার বেশ বড় হবে।

কম প্রসাধনীর ব্যবহার : ২০২৫ সাল হয়ে উঠতে যাচ্ছে মিনিমালিস্ট স্কিনকেয়ার রুটিনের বছর। শত ব্যস্ততার মাঝে সবাই চায় অল্পতেই যেন স্কিনকেয়ার রুটিন মেনে চলা যায়। আর এ কারণে পরিমাণ নয় বরং কোয়ালিটির দিকে নজর থাকবে সবার। স্কিনকেয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে দেখা যাবে এমন প্রোডাক্ট যেগুলো অল্প ব্যবহার করলেই পাওয়া যাবে বেশি উপকারিতা, আর খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হবে না। সেলফ কেয়ার ও সিমপ্লিসিটির দারুণ কম্বিনেশন দেখা যাবে এ বছর।

চোখের যত্ন : চোখের চারপাশ কালো হয়ে যাওয়া, বলিরেখা পড়ার মতো সমস্যাগুলো হয় প্রোপার হাইড্রেশনের অভাবে। এ বছর গ্রাহকরা এমন প্রোডাক্ট বাছাই করবেন সেগুলো পাফিনেস, ডার্ক সার্কেল, ফাইন লাইনস ও সেনসিটিভিটির মতো সমস্যাগুলো কমাবে। চোখের চারপাশ এজিং সাইনস, স্ট্রেস ও এনভায়রনমেন্টাল ড্যামেজের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অতিরিক্ত স্ক্রিনটাইম, নিজের যত্ন না নেওয়া এসব সমস্যার মূল কারণ। তাই এগুলো যেভাবেই হোক নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। আই ক্রিম, সিরাম, মাস্কের ব্যবহার বাড়বে, এগুলো হাইড্রেশন, ব্রাইটেনিং ও সুদিংয়ে সাহায্য করে।

ওভারনাইট মাস্ক : ঘুমানোর আগে ওভারনাইট মাস্ক ব্যবহার হতে যাচ্ছে স্কিনকেয়ারের অপরিহার্য প্রসাধনী। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা, উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনার জন্য এ ধরনের মাস্কের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। যেহেতু পরিশ্রম বলতে গেলে একদমই নেই, তাই ত্বকের যত্নে এগুলোর গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এ বছরও এর কদর বাড়বে।