দিনাজপুরে ইসি সানাউল্লাহ

আগামী নির্বাচন  কমিশনের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের নির্বাচন

নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের নির্বাচন হবে আগামী নির্বাচনে। এমন দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন কমিশন রঙবিহীন ও চেহারাবিহীন নির্বাচন কমিশন। আগামী নির্বাচন আমাদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের নির্বাচন। আমরা একটা ভালো নির্বাচন চাই।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সদর উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি উপলক্ষে তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও নতুন ভোটারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনার এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভালো ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আগে একটা নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন প্রধান কাজ। সবার নিষ্ঠা, ইচ্ছা ও আন্তরিকতা ছাড়া এই নির্ভুল ভোটার তালিকা করা সম্ভব নয়। তাই নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির জন্য নতুন আবহ তৈরি ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। তিনি বলেন, ভোটার তালিকায় যেসব সমস্যা আছে তার মধ্যে রয়েছে অজ্ঞতা, অনীহা অনাগ্রহ, অসচেতনতা ও অসাবধানতা। এ সব সমস্যা থেকে বের হতে হবে। সবাইকে সচেতনতার সঙ্গে ভোটার তালিকা তৈরি করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মাসুম, রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ নুর-এ-আলম ও দিনাজপুরের সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আফতাব উজ্জামান। পরে তিনি তথ্য সংগ্রহকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। 

এর আগে সকালে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

সেখানে নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, আমরা নির্বাচন কমিশন যদি স্বচ্ছ পাত্র উপহার দিতে পারি তাহলে সেই পাত্রে যেই পানি দেন না কেন পানি স্বচ্ছ রঙ ধারণ করবে। আমরা পূর্বের বাস্তবতা থেকে সতর্ক আছি। অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সেইভাবে কাজ করছি। তিনি বলেন, নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশনের হাতে নয়। সংস্কার কার্যক্রম চলমান। তবে প্রধান উপদেষ্টা যেমন বলেছেন চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে যেকোনো সময় দিনক্ষণ, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এই টাইম ঠিক করবে কবে নির্বাচন।