১২ জন নিয়ে খেলেছে ভারত -অভিযোগ ইংল্যান্ডের

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ৩৪ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলা হর্ষিত রানা আহত হলে তার জায়গায় কনকাশন সাব হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন হর্ষিত রানা। পরে সেই হর্ষিত রানা বল হাতে নেন ৩ উইকেট। এখানেই কনকাশন সাব আইনের লংঘন হয়েছে বলে দাবি করেছে ইংল্যান্ড। তারা এ ব্যাপারে ম্যাচ রেফারি জাগাভাল শ্রীনাথের ব্যাখ্যা চেয়েছে।

কনকাশন সাবের নিয়মানুযায়ী, কোনো ক্রিকেটার আহত হলে তার মতোই আরেকজনকে মাঠে নামানো যাবে। যেমন- বোলারের পরিবর্তে বোলার, ব্যাটারের পরিবর্তে ব্যাটার, কিপারের পরিবর্তে কিপার। কিন্তু দুবে ও হর্ষিত একই ধরনের খেলোয়াড় নন। মানে মাঠে তাদের ভূমিকা এক নয়। দুবে ব্যাটিং অল-রাউন্ডার আর হর্ষিত ফাস্ট বোলার। তাহলে দুবের জায়গায় কীভাবে হর্ষিতকে নামানো হলো?

ম্যাচ শেষে ভারত ১২ জন নিয়ে খেলেছে বলে খোঁচা মেরে ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলার বলেছেন, ‘আমাদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি। ব্যাটিংয়ে নামার সময় আমি ভাবছিলাম—হর্ষিত কার জায়গায়? তারা বলেছে, এটা কনকাশন সাব, যেটা আমি অবশ্যই একমত হইনি। ম্যাচ রেফারিই নাকি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে আমরা জাভাগাল শ্রীনাথকে (ম্যাচ রেফারি) কিছু প্রশ্ন করব। নাহলে হয়তো পরের ম্যাচে টসের সময় আমি বলব- আমরা ১২ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলছি।’

দুবের বদলি হিসেবে নেমে হর্ষিত ৪ ওভার ৩৩ রানে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন। ইংল্যান্ড ম্যাচটি হেরেছে ১৫ রানে। হারের পেছনে কনকাশন ইস্যুকে দায়ী না করলেও বাটলার বলেছেন, ‘এটা একই ধরনের খেলোয়াড়দের মধ্যে কনকাশন হয়নি। আমরা এর সঙ্গে একমত নই। এমনটা খেলার অংশ, আর আমাদের ম্যাচটি জেতা উচিত ছিল। তবে আমরা এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নই।’

ভারতের সহকারী কোচ মরনে মরকেলও অবশ্য সংবাদ সম্মেলনে এসে কনকাশন সাবের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন, ‘শিবম হালকা মাথা ব্যথা ইনিংস শেষ করেছিল। কে বদলি হতে পারে, তা নিয়ে আমরা ম্যাচ রেফারির কাছে গিয়েছিলাম। এরপর সিদ্ধান্তটি ম্যাচ রেফারির। সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় হর্ষিত ডিনার করছিল। আমাদের তাকে ফিল্ডিং ও বোলিং করানোর জন্য প্রস্তুত করতে হয়েছে।’