বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের আপিলের ওপর দ্বিতীয় কার্যদিবসের শুনানি শেষ হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে এ শুনানি হয়। গতকাল রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসিম সরকার মামলার পেপারবুক (রায়সহ যাবতীয় নথি) থেকে পড়ে শোনান। এর আগে গত বছরের ২৮ নভেম্বর এ মামলার শুনানি শুরু করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসিম সরকার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গত বছর শুনানি শুরুর পরে এই বেঞ্চের বিচারিক এখতিয়ার পরিবর্তন হয়। এখন আবারও শুনানি শুরু হয়েছে। আদালত বলেছে, তারা নতুন করে শুনবে। আজকে (গতকাল) শুনানি করেছি। আগামীকাল মঙ্গলবার (আজ) আবারও শুনানি হবে।’
২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর ভোরে বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বিশ^বিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হলের করিডর থেকে। পরে জানা যায়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্টের জের ধরে রাতে আবরারকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পিটিয়ে হত্যা করে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কতিপয় নেতাকর্মী (পরে বহিষ্কৃত)। এ নিয়ে সারা দেশে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ ২৫ আসামির সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেয়। রায়ে ২০ জনকে প্রাণদণ্ড ও পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেয় আদালত।