সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর বিষয়ে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টার বেঁধে দেওয়া এক মাস সময়ে বিআরটিএর অর্জন কী, তা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এ সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সাফল্য ও ব্যর্থতা জানতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মো. ইয়াছিনের কাছে চিঠি দিয়েছেন সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী। গতকাল বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় সংগঠনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী উল্লেখ করেন, গত ১৯ ডিসেম্বর রাজধানীর আব্দুল গণি রোডে বিদ্যুৎ ভবনে ‘সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ, ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসন এবং বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক এক সভা হয়। সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান ঢাকার যানজট নিরসন, পরিবহনের কালো ধোঁয়া বন্ধ করা, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া নিশ্চিত করা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন রাস্তায় যেন চলতে না পারে তার ব্যবস্থা করা, ফিটনেস প্রদানের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে বেসরকারি খাতের সহায়তা নেওয়ার কথা জানান। এ ছাড়া ওই সভায় তিনি রাস্তায় অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, স্কুলবাস চালুর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তার পাঠানো, এলোমেলো বাস দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলার কারণে সৃষ্ট যানজট বন্ধ করা, আগামী মে মাসের মধ্যে ঢাকা শহরে ২০ বছরের পুরনো বাস তুলে দেওয়া, যানজটের স্থানগুলো চিহ্নিত করাসহ সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য বিআরটিএকে এক মাসের সময় দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উন্নতি না হলে বিআরটিএর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে জনস্বার্থে যাত্রী কল্যাণ সমিতিকে অগ্রগতির তথ্য দিতে চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।