অর্থ পাচার অভিযোগের মামলায় সাত বছরের সাজা থেকে সর্বোচ্চ আদালতে খালাস পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের আপিল মঞ্জুর করে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগ এ রায় দেয়। দুজনকে এর আগে হাইকোর্টের দেওয়া সাজা বাতিল করে রায় দেয় আপিল বিভাগ।
সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, এ মামলায় তারেক রহমানকে পলাতক দেখিয়ে সাজা দিয়েছিল আদালত। তবে আপিল মঞ্জুর এবং সাজা বাতিল হওয়ায় তিনিও খালাস পাবেন। এ নিয়ে গত কয়েক মাসে চারটি মামলার সাজা থেকে খালাস পেলেন তারেক রহমান। তবে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে ৯ বছরের সাজা রয়েছে। সাজামুক্ত হতে তাকে এ মামলায় খালাস পেতে হবে বলে জানান বিএনপির আইনজীবীরা। এ ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় সাজা মওকুফের বিধানটি আইনজীবীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছে বলে কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন বিএনপির শীর্ষ আইনজীবীরা।
আদালতে মামুনের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এসএম শাহজাহান ও শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন শুনানিতে ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সাব্বির হামজা চৌধুরী। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান। অ্যাডভোকেট সাব্বির হামজা চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ মামলায় গিয়াস উদ্দিন মামুন আপিল করেছিলেন। তবে হাইকোর্টের রায় বাতিল হওয়ায় তারেক রহমানও খালাস পাবেন।’ বিএনপির শীর্ষ আইনজীবী নেতা ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এটি একটি ভিত্তিহীন অভিযোগে সাজানো মামলা। অধস্তন আদালত তারেক রহমানকে খালাস দিলেও হাইকোর্ট তাকে সাজা দেয়। আওয়ামী লীগ সরকার তারেক রহমানকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে সাজার ব্যবস্থা করে। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে তিনি খালাস পেয়েছেন।’