অন্যান্যবারের মতো ঢাকঢোল পিটিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ পুলিশ সপ্তাহ উদযাপন করা হবে না এ বছর। পুলিশ সপ্তাহ-২০২৫-এর অনুষ্ঠানসূচিতে করা হচ্ছে কাটছাঁট। রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে কুচকাওয়াজ (প্যারেড) না হলেও অডিটোরিয়ামে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করবেন কর্মকর্তারা। এবার হবে না রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক। তবে অনুষ্ঠানসূচিতে নতুন করে যোগ হয়েছে সুধী সমাবেশ। ‘কেমন পুলিশ দেখতে চান’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভায় মতামত নেওয়া হবে বিশিষ্টজনদের কাছ থেকে। ইতিমধ্যে পুলিশ সপ্তাহের তারিখ চূড়ান্তের পাশাপাশি কিছু দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করার সারসংক্ষেপ তৈরি করা হয়েছে। এ জন্য মাত্র ছয়জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। গণহারে পুলিশ পদক না দেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এ নিয়ে বাহিনীর মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি) সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। অনুষ্ঠানের সেøাগান চূড়ান্ত করতে ইউনিট প্রধান ও মাঠপর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। পুলিশের মনোগ্রাম থেকে নৌকা বাতিল, স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ, স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন, যানবাহন ও আবাসন সংকট সমাধান, নির্দিষ্ট সময় ডিউটির বাইরে অতিরিক্ত কাজের জন্য ভাতা এবং থানায় পুলিশের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ বন্ধ করাসহ এক ডজনের বেশি দাবি উত্থাপন করা হবে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
এদিকে, পুলিশ সপ্তাহ ঘিরে বাহিনীটির কিছু কর্মকর্তা আলাদাভাবে বৈঠক করেছেন। ইফতার মাহফিলের আড়ালে কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার এই বৈঠক ভালোভাবে নেয়নি পুলিশ সদর দপ্তর। ইতিমধ্যে কয়েকজন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর চিঠি (শোকজ) দিয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে। পুলিশের বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কার, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে নানা অসংগতি, শীর্ষ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিরোধিতাসহ নানা ইস্যুতে সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে পুলিশে। আর অসন্তোষের বিষয়গুলো চলে এসেছে অনেকটাই প্রকাশ্যে। এই ক্ষোভ থেকে পুলিশ সপ্তাহের আগে আগে একজন উপ মহাপরিদর্শকের (ডিআইজি) নেতৃত্বে রাজধানীর একটি জায়গায় সভা হয়েছে। সেখানে ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে কর্মরত বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন। এমনকি ডিআইজি, কমিশনার ও এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তারা ঊর্ধ্বতন তদারক কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়াই বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।
গত ১৪ মার্চ ঢাকায় পুলিশ অফিসার্স ম্যাচে ইফতার মাহফিলের আড়ালে ওই বৈঠক হয়। সেখানে মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন কমিশনার, কয়েকজন ডিআইজি ও পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর পুলিশের ঊর্ধ্বতনদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি অনির্ধারিত বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, অনুমতি ছাড়া যারা ইফতার মাহফিলের আড়ালে হওয়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাদের কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। সে অনুযায়ী এরই মধ্যে ডজনখানেক কর্মকর্তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। ওই বৈঠকে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (প্রশাসন) কাজী ফজলুল করিম বক্তব্য দেন। আরও অংশ নেন গাজীপুর মহানগরের পুলিশ কমিশনার নাজমুল করিম খান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ফারুক আহমেদ, এসবির ডিআইজি মীর আশরাফ, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম এবং কয়েকজন পুলিশ সুপার। সভায় পুলিশের ১৫ থেকে ৪০তম ব্যাচের দু-তিনজন করে প্রতিনিধি অংশ নেন। বৈঠকে অতিরিক্ত আইজিপি এবং ডিআইজি পদে পদোন্নতি না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কর্মকর্তারা।
পটপরিবর্তনে পিছিয়েছে পুলিশ সপ্তাহ : পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কোটা সংস্কার নিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দমনপীড়ন চালায়। গুলিতে শিক্ষার্থীসহ বহু মানুষের প্রাণ যায়। গণঅভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। পুলিশের বহু শীর্ষ কর্মকর্তাও চলে যান ’অনেকটা আত্মগোপনে’। পুলিশ সদর দপ্তরসহ সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আন্দোলন দমাতে বলপ্রয়োগ করেছেন-এমন কর্মকর্তাদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ওই সব কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীতে নিহতের ঘটনায় অর্ধশত হত্যা মামলায় পুলিশের অন্তত দেড়শ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) থেকে শুরু করে ডিএমপির কমিশনার, অতিরিক্ত কমিশনার, উপকমিশনার, সহকারী কমিশনার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা রয়েছেন। পাশাপাশি ইন্সপেক্টর, সাব-ইন্সপেক্টর, সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর ও কনস্টেবলদেরও আসামি করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে প্রথম থেকেই বিতর্কিত ভূমিকায় ছিলেন পুলিশের কিছু শীর্ষ কর্মকর্তা। আন্দোলনকারীদের হয়রানি, সমন্বয়কদের হেফাজতে নিয়ে নির্যাতনসহ নির্বিচারে গুলি করে শত শত ছাত্র-জনতা হত্যার নির্দেশদাতা বিতর্কিত ওই সব কর্মকর্তারা লাপাত্তা। তবে এসব বিষয় পেছনে ফেলে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
জানতে চাইলে আইজিপি বাহারুল আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নানা প্রতিকূলতার কারণে পুলিশ সপ্তাহ করতে সময় নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠানটি শুরু হবে। যারা ভালো কাজ করবেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। আগের মতো মুখ দেখে আর পদক দেওয়া হবে না। পদকের সংখ্যাও কমিয়ে আনা হবে। কারা পদক পাবেন তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আবেদন আসছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
পুলিশ প্রধান আরও বলেন, ‘পুলিশ একটি ডিসিপ্লিন ফোর্স। সদর দপ্তর ও ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে না জানিয়ে কর্মকর্তারা স্টেশন ত্যাগ করতে পারেন না। তাই পুলিশ সপ্তাহের আগে কিছু কর্মকর্তার বৈঠক করার বিষয়টি আমাদের নলেজে এসেছে (দৃষ্টিগোচর)। সভায় অংশ নেওয়ায় তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।’
কি থাকছে পুলিশ সপ্তাহে : নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এবার পুলিশ সপ্তাহ হওয়ার কথা ছিল না। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পুলিশ ছিল টালমাটাল অবস্থায়। নতুন আইজিপি স্যার আসার পর অনুষ্ঠানটি করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলেও সরকারের হাইকমান্ড থেকে নির্দেশনা আসতে দেরি হচ্ছিল। পরে সিগন্যাল এলেও কর্মসূচিতে কাটছাঁট করতে বলা হয়েছে। আমরা সেইভাবে এগিয়ে যাচ্ছি। এবার প্যারেড অনুষ্ঠান বাদ দেওয়া হয়েছে। কল্যাণ সভার আয়োজন থাকছে রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়াম। সেখানে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা। ওই সভায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ছয়জন কর্মকর্তা ও সদস্য দাবি-দাওয়া তুলে ধরবেন। পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিন বিকেলে কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্মেলন করবেন আইজিপি।’
পুলিশ সদর দপ্তরের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে এসবি, সিআইডি, ট্যুরিস্ট পুলিশ, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট, পিবিআই ও র্যাবের বিষয়ে থাকবে উপস্থাপনা। স্ব স্ব ইউনিটের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হবে। পুলিশের প্রতিটি ইউনিট তাদের কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে। তা ছাড়া স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও সচিবের সঙ্গে কর্মকর্তাদের সম্মেলন হবে। তাদের কাছেও সমস্যার কথা তুলে ধরা হবে। একই দিন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিবদের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলন হবে। এবার পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে পত্রিকায় কোনো ক্রোড়পত্র প্রকাশ হবে না। রেডিও-টেলিভিশনেও থাকবে না বিশেষ অনুষ্ঠান।’
রাজনৈতিক প্রভাবের বেড়াজাল থেকে বের হতে সন্ধিহান : পুলিশ সপ্তাহের কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে বাহিনীটির একটি রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অনুষ্ঠানে কাটছাঁট করে এবারের পুলিশ সপ্তাহ হলেও তাৎপর্যতা রয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে পারে। বৈঠকে এই নির্বাচনের বিষয়ে কিছু দিকনির্দেশনা আসবে। তবে আমরা পুলিশ বাহিনী রাজনৈতিক প্রভাবের বেড়াজাল থেকে মুক্ত হতে পারব কি না তা নিয়ে সন্ধিহান আমরা। এখনো কৌশলে পুলিশকে রাখা হচ্ছে চাপে। রাজনৈতিক নেতাদের নানান তদবির ও অনুরোধ শুনতে শুনতে আমরা কাহিল হয়ে পড়েছিলাম। মনে করেছিলাম রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হওয়ায় নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারব। কিন্তু সমস্যা আছে অনেকটা আগের মতোই। থানাগুলোতে আমরা চাপে থাকছি। এসব বিষয় নিয়েও পুলিশ সপ্তাহে কথা বলব।’
মতবিনিময়ে প্রধান আলোচক সলিমুল্লাহ খান : পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানের শেষ দিন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় হবে। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে ড. সলিমুল্লাহ খানের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। ওই সভায় একজন সাংবাদিক প্রতিনিধি ও শ্রমিক প্রতিনিধিসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের নাগরিক প্রতিনিধিদের মতামত শুনবেন পুলিশ কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানের আয়োজনে থাকছে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির স্টল পরিদর্শন ও বার্ষিক পুনাক সমাবেশ এবং পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তাদের পুনর্মিলনী সভা। পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, পুলিশ সপ্তাহের ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো ধরনের প্যারেড রাখা হয়নি। শিল্ড প্যারেডসহ অন্যান্য প্রতিযোগিতাও নেই। বিষয়টি নিয়ে অনেক পুলিশ সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া পহেলা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। ওই দিন সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। সে ক্ষেত্রে ওই দিন পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান রাখাটা যৌক্তিক হয়নি।
গণহারে থাকবে না পুলিশ পদক : সংশ্লিষ্টরা দেশ রূপান্তরকে জানান, আগামী ২৯ এপ্রিল পুলিশ সপ্তাহ শুরু হয়ে শেষ হবে পয়লা মে। অন্যান্য বছর কর্মসূচি সাত দিনের হলেও এবার হবে তিন দিন। প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠানটি হয়ে থাকে। এবার নানা প্রতিকূলতার কারণে অনুষ্ঠানের সময় পিছিয়ে আনা হয়েছে। এবারের পুলিশ সপ্তাহ হবে একদম ভিন্ন আঙ্গিকে। বঙ্গভবনে থাকছে না রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মিলন। আবার অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের কার্যালয়েও থাকছে না অনুষ্ঠান। বাদ দেওয়া হয়েছে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠের প্যারেডও। আরও বেশ কিছু ইভেন্টে কাটছাঁট করা হয়েছে। তা ছাড়া বিগত বছরগুলোতে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ মুখ দেখে পুলিশ পদক দেওয়া হতো, এবার আর সেটি হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। পদকের সংখ্যাও কমানোর কথা বলা হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে ভিন্নমত দমন, গুম, খুনসহ রাতের ভোটের জন্যও পুলিশ কর্মকর্তাদের বিপিএম, পিপিএম, বিপিএম সেবা ও পিপিএম সেবা পদক দেওয়া হয়েছে। সরকার প্রধানরা মূলত পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্তদের এসব পদক পরিয়ে দিতেন। ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাতের ভোটের জন্য পুলিশ ও র্যাবের ১০৩ কর্মকর্তার পদক প্রত্যাহার করা হয়েছে। এবার পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে বিতর্কমুক্ত ভালো কাজের জন্য পুলিশ পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিতর্ক হবে এমন কাউকে পুলিশ পদক দেওয়া হবে না।