ইউনান গভর্নরের সঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বৈঠক

অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে ঢাকা সফররত চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবোর সাক্ষাতে ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পর্যালোচনা করা হয়। উভয় পক্ষ বাণিজ্য, চিকিৎসা, পর্যটন, জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ, বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আলোচনা করেন।

গতকাল রবিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এ সাক্ষাৎ হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পর্যালোচনা করা হয়। উভয়পক্ষই চট্টগ্রাম ও ইউনান প্রদেশের মধ্যে বাণিজ্য, চিকিৎসা, পর্যটন এবং জনসাধারণের মধ্যে সরাসরি সংযোগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই এই সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করে তুলতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন দিগন্ত : বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারত্বকে বাস্তব রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সম্প্রতি চীন সফরের আলোকে দুই দেশের মধ্যে আলোচিত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে গতকাল তিনি ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে অবকাঠামো, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ও সংস্কৃতি প্রায় সব খাতেই সহযোগিতা দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আলোচনা তো হলোই, এবার সময় কাজ শুরু করার।’ চীনা রাষ্ট্রদূতও বলেন, ‘আর দেরি নয়, দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন চাই আমরা।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার এখন চীন সফরে আলোচিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া। যেন এই গতি থেমে না যায়।’

ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘এটাই আমাদেরও প্রধান অগ্রাধিকার। আমরা চীনে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা করেছি, এখন দু-তিন বছর চুক্তির অপেক্ষায় না থেকে দ্রুত বাস্তবায়নে যেতে চাই।’