শয়তান যেভাবে মানুষকে বিপথগামী করে

শয়তান মানুষের চিরশত্রু। এ কথা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট। তাই মুমিনের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে শয়তানকে শত্রুই ভাবতে হবে। এটাই মহান রবের নির্দেশ। এ প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয় শয়তান তোমাদের শত্রু। অতএব তোমরাও তাকে শত্রু হিসেবেই গণ্য করো। (সুরা ফাতির ৬)

শয়তান বরাবর মানুষের কাছে ভিড়ে। নানা কৌশলে মানুষকে বোঝাতে চায় সে মানুষের শত্রু নয়, বরং প্রকৃত বন্ধু বা হিতাকাক্সক্ষী। প্রয়োজনে কসম খেতেও দ্বিধা করে না। যেমন কসম খেয়ে বলেছিল হজরত আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-কে নিষিদ্ধ গাছের ফল খাওয়ানোর বেলায়। এ প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর সে তাদের কাছে কসম খেয়ে বলল, অবশ্যই আমি আপনাদের একজন হিতাকাক্সক্ষী।’ (সুরা আরাফ ২১) 

মানুষকে বিপথগামী করার হাজারো কলাকৌশল শয়তানের হাতের মুঠোয়। যখন যে পন্থা অবলম্বন কদরকার সেটাই করে। কখনো কখনো মানুষকে দরিদ্রতার ভয় দেখায়। কারণ মানুষ দরিদ্রতাকে ভয় করে। শয়তান সেই দরিদ্রতা মোচনে অসদুপায় অবলম্বনের পথ দেখায়। দরিদ্রতা দূরীকরণে যদি পাপে লিপ্ত হতে হয় সেটাও করতে বলে নির্দ্বিধায়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘শয়তান তোমাদের দরিদ্রতার ভয় দেখায় এবং মন্দকর্মের আদেশ করে। (সুরা বাকারা ২৬৮)

এমন অগণিত পথে শয়তান মানুষকে প্ররোচিত করে। মহান আল্লাহ আমাদের শয়তানের যাবতীয় চক্রান্ত থেকে হেফাজত করুন। আমিন।