দেশে আর কোনো নাগরিকের নামে দ্বৈত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুটি এনআইডি শনাক্ত হওয়া ৫৮৬ জন নাগরিকের প্রথম এনআইডি বহাল রেখে দ্বিতীয়টি বাতিল করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর এ তথ্য জানান।
ডিজি বলেন, ‘আমরা সর্বশেষ ৫৮৬ জন ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছিলাম, যাদের দুটি এনআইডি ছিল, তাদের উভয় এনআইডি লক করা হয়েছিল, ফলে তারা কোনো নাগরিক সেবা নিতে পারছিলেন না। এখন তাদের প্রথম এনআইডিটি সচল করা হয়েছে এবং দ্বিতীয়টি বাতিল করা হয়েছে। ফলে তারা এখন নাগরিক সেবা পাবেন।’ তিনি জানান, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে দ্বৈত এনআইডিধারীদের বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়। দুই সপ্তাহের মধ্যেই এ সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।
হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, একই ব্যক্তির দুটি এনআইডি অথবা ভোটার তালিকায় দুটি তথ্য থাকার পরিপ্রেক্ষিতে ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথমটি রেখে দ্বিতীয়টি বাতিল করা হয়েছে। এই মুহূর্তে আমাদের জানামতে আর কারও দুটি এনআইডি নেই। যদি ভবিষ্যতে এমন কোনো ঘটনা শনাক্ত হয়, তবে একই নিয়ম অনুসরণ করা হবে।
এনআইডি ডেটা সেন্টারের নিরাপত্তা নিয়ে ডিজি বলেন, ‘আমাদের ডেটা সেন্টার যেহেতু ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে, তাই নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মাঝেমধ্যে এটি বন্ধ করে আবার চালু করা হয়। যেমন : গত শনিবারও আমরা চার ঘণ্টার জন্য বন্ধ রেখেছিলাম, এরপর আবার চালু করেছি। এটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অংশ ছিল। ডেটা সেন্টারের নিজস্ব জনবল নিয়মিতভাবে এটি “চেক” করে দেখেছে এবং কোনো সুবিধা-অসুবিধা বা আপডেটের প্রয়োজন আছে কি না সেটা দেখেছে।’
ভবিষ্যতেও তথ্যভাণ্ডারকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘আমাদের অবস্থান থেকে যতগুলো নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, আমরা সেই ব্যবস্থাগুলো নিয়েছি। এখন আমাদের ডেটা সেন্টার সম্পূর্ণ নিরাপদ। এই মুহূর্তে ডেটা সেন্টার নিয়ে কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ নেই। তবে এটি যেহেতু ডেটা সেন্টার, তাই কোনোভাবেই যেন ডেটা ফাঁস না হয় অথবা অন্য কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য দৈনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’